ছবি- প্রতীকী

নয়াদিল্লি: ফের লালসার শিকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুই নাবালিকা৷ ঘটনা সেই দিল্লিরই৷ যেখানে বার বার প্রতিফলিত হয়ে চলেছে নির্ভয়াকান্ড৷

আর এবার ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল৷ শুধু তাই নয়, নির্যাতিতাদের মুখ বন্ধ করতে তাদের ৫ টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন, পাশাপাশি প্রাণনাশেরও হুমকি দেয় অভিযুক্ত ব্যক্তি৷ ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় নির্যাতিতাদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে৷

পড়ুন: নাবালিকা যৌনকর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ভারতীয় ছাত্রের!

ঠিক কি ঘটেছিল?
সূত্রের খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির বাসিন্দা মহম্মদ জইনুল দিনমজুরী করে৷ গত রবিবার তার এলাকারই বাসিন্দা ওই দুই নাবালিকা বাড়িতে একা ছিল৷ তাদের মা-বাবা কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে যায়৷ তখন ওই দুই নাবালিকা খেলার জন্য বাড়ির বাইরে এলে জইনুল তাদের দেখতে চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়৷ তাদের ধর্ষণ করার চুপ থাকার হুমকিও দেয় জইনুল৷ পাশাপাশি দুজনের হাতে ৫টাকা করেও দেয় সে৷

নির্যাতিতা ওই দুই নাবালিকা বাড়ি ফিরে আসে৷ পরে তাদের মধ্যেই একজনের পেটে ব্যথা শুরু হলে সে কাঁদতে শুরু করে৷ তার মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সে সবকিছু খুলে বলে৷ তার গোপনাঙ্গে ক্ষতও দেখা যায়৷ এরপরেই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে ২ নির্যাতিতার পরিবার৷

পড়ুন: বিহারে উদ্ধার অপহরণ করে রাখা কলকাতার তরুণী

ডিসিপি মিলিন্দ মহাদেব ডুম্বরে জানান, পরিবারের অভিযোগে আইপিসি ৩৭৬ এবং পকসো আইনের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে৷ তাকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ জানা গিয়েছে, মহম্মদ জইনুল বিবাহিত৷ ধর্ষণের সময় জইনুলের স্ত্রী ঘটনাস্থলে ছিল না৷ সমগ্র ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।