প্রতীকি ছবি

নয়াদিল্লি: জওয়ান হারানোর দগদগে ক্ষত নিয়ে দেশ কাটিয়ে ফেলেছে দুদিন৷ সময় যত গড়াচ্ছে, প্রতিশোধের জ্বালায় ফুটছে গোটা দেশ৷ নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে৷ গাফিলতি কোথায় চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে৷ অনেক প্রশ্ন৷ তবে উত্তর ধোঁয়াশায়৷

সিআরপিএফ সূত্রে খবর, যে গাড়িতে বিস্ফোরক নিয়ে আসা হয়েছিল, তাতে ছিল ৬০ কেজি শক্তিশালী আরডিএক্স৷ প্রাথমিকভাবে ৩৫০ কেজি আরডিএক্সের উপস্থিতির কথা জানিয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা৷ তবে এখন দেখা যাচ্ছে, এসইউভি নয়, সেডন গাড়িতে আরডিএক্স আনা হয়েছিল, যা ছড়িয়ে পড়েছিল ১৫০ মিটার এলাকা জুড়ে। সেই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৮০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে জওয়ানের দেহ৷

জানা গিয়েছে, জওয়ানদের বাসে ধাক্কা মারেনি হামলাকারী৷ রাস্তার বাঁ দিক দিয়ে কনভয়ের ৭৮ টি বাসের কাছে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সূত্রের খবর, এই ঘটনার ভয়াবহতা বাড়াতে বিস্ফোরকে ব্যবহার করা হয় “শেপড চার্জ”৷ কিন্তু একটি বিষয় ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের৷

২২ বছরের স্কুলছুট হামলাকারী আদিল দার কীভাবে এত বিস্ফোরক জোগাড় করতে পারল৷ কীভাবে নিরাপত্তায় মোড়া জাতীয় সড়ক পেরিয়ে কনভয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারল হামলাকারীর গাড়ি৷ কে বা কারা গোটা হামলার পিছনে ছিল, তার খোঁজ চলছে৷ পাশাপাশি, জানা গিয়েছে, প্রায় ৩মাস ধরে জইশ ই মহম্মদের মাথাদের সঙ্গে আদিল যোগাযোগ রেখেছিল বলে খবর৷ কাশ্মীর জুড়েই সে সক্রিয় ছিল৷ তাহলে কীভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ এড়িয়ে গেল সে? প্রশ্ন উঠছে৷

নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে খবর ছিল আদিল তিনমাস ধরে নিখোঁজ ছিল৷ অনুমান সেই সময়েই সে হামলার প্রসিক্ষণ নেয় জইশের ক্যাম্পে৷ হামলার পরে পুলওয়ামা, সোপিয়ান ও অনন্তনাগ এলাকায় একাধিক তল্লাশি চালায় জম্মু কাশ্মীর পুলিশ৷ শুক্রবার যে সাত সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে৷ শনিবারও কাশ্মীর জুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলবে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷