প্রতীকী ছবি

জয়পুর: সারা দেশ যখন তেলেঙ্গানার ডাক্তার তরুনীর ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তাল তারই মধ্যে জয়পুরে লালসার শিকার এক ছয়বছরের নাবালিকা। বারবার যা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে মেয়েদের নিরাপত্তার খামতি।

জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে ওই ৬ বছরের নাবালিকা মেয়েটি নিখোঁজ ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবারে মেয়েটির দেহ গ্রামের অদূরে একটি ঝোপ থেকে পাওয়া গিয়েছিল এবং প্রাথমিক অনুমানের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে নাবালিকাকে ধর্ষণ করার পরে তারই স্কুল ড্রেসের বেল্ট দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল।

মৃত নাবালিকার দেহ খেতাদি গ্রামের কাছের একটি ঝোপ থেকে পাওয়া গিয়েছিল। সেই সঙ্গে মদের বোতল, কিছু খাবার এবং রক্তের দাগ লক্ষ করা গিয়েছিল বলে পুলিশের তরফ থেকে জানা গিয়েছে।

এই মুহূর্তে তেলেঙ্গানার ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সারা দেশ সরব। প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন বিদ্বজ্জন থেকে সাধারণ মানুষ। ধর্ষকদের শাস্তির দাবি নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে সাধারণ মহিলারা। বারবার প্রশ্ন তুলছে এই দেশে মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে। কেন আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মহিলাদের এরকম নৃশংসতার শিকার হতে হবে তাই বেশীরভাগ মহিলার প্রশ্ন। আর কটা আসিফা বা নির্ভয়া ঘটনা ঘটলে চোখ খুলবে প্রশাসনের তা নিয়েও সরাসরি প্রশ্ন করছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়াতে সকলে মন্তব্য করছেন দেশে এই মুহূর্তে ধর্ম সংক্রান্ত বিষয় সব থেকে আগে। কিন্তু মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়ে কোন হুস নেই কারও।

আরও পড়ুন – চাই আরও সক্রিয় পুলিশ, সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সে মমতা

পুলিশের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, শনিবার মেয়েটির স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল। আর তারপর থেকেই মেয়েটি নিখোঁজ ছিল। বেলা তিনটে পর্যন্ত বাড়ি না ফেরাতে ওই নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেছিল। রবিবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয় গ্রামের কাছের ঝোপ থেকে।

আর এই ঘটনার পর থেকে সেখানকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সাধারণ মানুষেরা সেই এলাকাটি ঘিরে ফেলে। পুলিশ এবং ফরেন্সিক সদস্যরা এসে সেই জায়গা থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সুপার আদর্শ সিধু প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, মেয়েটিকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আর সেই কারণে বিশেষ টিম বানানো হয়েছে।