বাজারে 5G আসার গুঞ্জন। মোবাইল নেটওয়ার্কের ফিফথ-জেনারেশন অর্থাৎ 5G সম্পূর্ণভাবে বদলাবে ইন্টারনেট স্পিডের সংঙ্ঘাকে৷ যেটি নিত্যদিনের ব্যবহৃত ডিভাইসগুলিতে যোগ করবে আলাদা মাত্রা৷

যেটি আপনার বাড়িতে থাকা সমস্ত ডিভাইসকেই (ফ্রিজ থেকে সিকিওরিটি সিস্টেম) স্মার্টফোনের মাধ্যমে কানেক্ট করবে৷ আর, সেই সঙ্গেই বাস্তবায়িত হবে স্মার্টসিটির ধারণাটি৷ ২০২২ সালের মধ্যেই ভারতে আসতে পারে 5G নেটওয়ার্ক৷ যা বদলাবে জীবনযাত্রার ধরণকে৷ কিন্তু, কীভাবে জীবনযাত্রাকে বদলাবে 5G নেটওয়ার্ক?

১) স্মার্টসিটিগুলিতে পাওয়ার সাপ্লাই, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, ট্রাফিক সিস্টেম সবকিছুই 5G র মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে৷ উদারহণ হিসেবে বলা যায় ট্রাফিক কনট্রোলের কথা৷ যেখানে শহরের আশেপাশে থাকা সেন্সরগুলি রাস্তার যানচলাচল এবং পথচারীদের গতিবিধি লক্ষ্য করবে৷ শুধু তাই নয়, অটোমেটিক্যালি ট্রাফিক লাইটকে অপারেট ও নিয়ন্ত্রণ করবে৷

২) স্মার্ট-হোমগুলিতে 5G নেটওয়ার্ক সিকিওরিটি সিস্টেম, বিদ্যুৎ, জলের খরচ কমাতে সাহায্য করবে৷ শুধু তাই নয়, বাড়ির বাইরে চলে যাওয়ার পর অটোমেটাক্যালি বন্ধ হয়ে যাবে লাইটস৷ যেটির মাধ্যমে অনেকাংশে কমানো যাবে বিদ্যুতের অপচয়৷ এছাড়া, স্বাস্থ্যের অবস্থাকেও মনিটর করে এমার্জেন্সি কল করার সুবিধাও থাকছে৷

৩) সেলফ-ড্রাইভিং কার চালাতেও সুবিধা করবে 5G নেটওয়ার্ক৷ এছাড়া, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সাহায্য করতে চলেছে এই 5G ধারণাটি৷ এককথায় বলা যায়, 5G নেটওয়ার্ক পুরো মাত্রায় বদলাবে শহরকে, বদলাবে সাধারণের জীবনযাত্রাকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।