ইটানগর: শনিবার সকালেই এনকাউন্টার। সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই হয়ে গেল অরুণাচল প্রদেশে। এদিন ৬ নাগা জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা।

এদিন ভোর সাড়ে ৪ টে নাগাদ এই এনকাউন্টার হয়। অরুণাচল প্রদেশের খোঁসা এলাকায় চলে সেই গুলির লড়াই।

এদিনের এনকাউন্টারে জখম হয়েছেন অসম রাইফেলসের এক জওয়ান। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতরা সবাই নাগা জঙ্গি সংগঠন NSCN(IM)-এর সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

গত বছরের শেষে এই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে থমকে থাকা শান্তি আলোচনা ফের শুরু হয়। নাগাল্যান্ডের পৃথক পতাকা আর স্বতন্ত্র সংবিধানের দাবি কেন্দ্র মানেনি। এনএসসিএন (আইএম) সেই আলোচনার পর বলেছিল যে, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের দাবি তারা ছেড়েছে। কিন্তু যে পতাকার জন্য এত দশকের লড়াই তার দাবি ছাড়া যায় না। আলোচনার পর বিবৃতিতে তারা জানিয়েছিল, ২২ বছর ধরে আলোচনার পরে ভারত সরকার এখন মারপ্যাঁচ শুরু করেছে। কথা রাখছে না। ‘ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট’-এ স্বতন্ত্র নাগা ঐতিহ্য মেনে নিতে ভারত সরকার সম্মত হলেও মূল চুক্তির ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে আসছে।

বিভিন্ন নাগা জঙ্গি ও নাগরিক সংগঠনের যৌথ মঞ্চও জানায়, তারা ভারতের চাপিয়ে দেওয়া সংবিধান মানবে না। তারা দাবি করে, ভারত সরকার এবং এনএসসিএন(আইএম)-এর মধ্যে হওয়া আলোচনার ফলাফল সকলকে স্পষ্ট করে জানানো হোক। তাদের আরও দাবি, নাগাল্যান্ডের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ, পণ্ডিতদের দিয়ে নাগা সংবিধানের খসড়া তৈরি করা দরকার। কারণ তা গোটা জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন।

শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী তথা নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল আর এন রবির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ