হায়দরাবাদ: কয়েকদিন আগে একসঙ্গে ন’জনের মৃত্যুর খবর আসে সংবাদমাধ্যমে। অবশেষে তেলেঙ্গানার সেই মৃত্যু রহস্য উদ্ধার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, একই পরিবারের ৬ জুন’কে খুন করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের ওই পরিবার তেলেঙ্গানার বাসিন্দা। সম্প্রতি কুয়ো থেকে মহম্মদ মাসু ও তাঁর পরিবারের সব সদস্যের দেহ উদ্ধার হয়। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন তেলেঙ্গানায়। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু পরে জান যায়, আসলে অন্য এক শ্রমিক তাদের খুন করেছে। আরও একটি খুনের ঘটনা ঢাকতে গিয়েই এই খুন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সঞ্জয় কুমার যাদব নামের এক ব্যক্তিকে।

ধৃত ব্যক্তির বয়ান অনুসারে ওই ব্যক্তি মোট ১০ জনকে খুন করেছে। জানা গেছে হত্যাকারী বিহারের বাসিন্দা। মৃতদের সকলকেই খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিলো। মৃতদের মধ্যে দুই মহিলা এবং এক শিশু ছিলো। এঁদের সকলের মৃতদেহ পাওয়া গেছিলো গোরেকুন্তা গ্রামের পরিত্যক্ত এক কুয়োর মধ্যে।

পুলিশের বক্তব্য অনুসারে, ধৃত সঞ্জয়ের সঙ্গে এক মহিলার সম্পর্ক ছিলো। পশ্চিমবঙ্গ নিবাসী মাক্সুদ-এর আত্মীয়া ওই মহিলা স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে তিন সন্তান সহ ওখানেই থাকতেন এবং চটের ব্যাগ কোম্পানীতে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে ওই মহিলার ১৫ বছর বয়সী মেয়ের দিকে সঞ্জয়ের কুনজর পরে। এরপরই ওই মহিলা নিজের মেয়েকে রক্ষা করার জন্য সঞ্জয়কে বিয়ের করতে চাপ দিতে শুরু করে। এরপরই সঞ্জয় ওই মহিলাকে কলকাতা নিয়ে যাবার নাম করে রাস্তায় খুন করে ট্রেনলাইনের ধারে মৃতদেহ ফেলে দিয়ে ফের ফিরে আসে।

এই ঘটনায় অন্যদের সন্দেহ হতে তাঁরা সঞ্জয়কে চেপে ধরে এবং পুলিশে অভিযোগ জানানোর কথা বলে। এরপরেই সঞ্জয় ২০ তারিখ রাতে সকলের খাবারের সঙ্গে কড়া ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় এবং গভীর রাতে মৃতদেহগুলো এক এক করে ওই পরিত্যক্ত কুয়োর মধ্যে ফেলে দেয়।

এই ঘটনায় তেলেঙ্গানা পুলিশের ৬টি টিম একসঙ্গে কাজ করে সঞ্জয়কে আটক করে এবং জিজ্ঞাসবাদ চালায়। জেরার মুখে ভেঙে পড়ে সঞ্জয় এই হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে নেয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ