ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজি
ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

কলকাতা: কসবায় রাজ্যের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এছাড়াও তিনটি বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়ির সামনে দুষ্কৃতীরা কীভাবে হামলা ঘটল, তা নিয়ে উঠে গিয়েছে বড়সড় প্রশ্ন।

বুধবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী বাইকে চড়ে এসে বোমাবাজি করে কসবা মেন রোডে ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে। তাঁরা জানিয়েছেন, এই এলাকায় এধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। তাঁদের অনুমান, বাইরে থেকে কয়েকজন অপরিচিত দুষ্কৃতীরা এসেই এ বোমাবাজি করেছে। বাসিন্দাদের দাবি, যে গাড়িতে করে এসে হামলা চালানো হয়েছে, সেই গাড়ির জানলার কাচ তোলা ছিল। ভিতরে এসি চলছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কসবা থানার পুলিস। ঘটনার খবর পাওয়ার পর চন্দননগর থেকে কসবায় নিজের বাড়িতে পৌঁছন তৃণমূল বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন। যদিও তিনি এ ঘটনার ব্যাপারে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না। ঘটনার পর মন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়। সিসিটিভির সূত্র ধরেই পুলিশ মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর। ধৃতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তাদের নাম গৌতম মণ্ডল, অশোক বৈদ্য, সোনু সাউ, রাহুল রায়, ভোলা পাশোয়ান। ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু বোমাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া তিনটি মোটর বাইকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। খৃত ৬ জনের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। কেন তারা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে হামলা চালাল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনার মূল চক্রী এখনও অধরা। এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।