জাকার্তা : দুলে উঠল মাটি। জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৬.৬। ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে মঙ্গলবার সকালে কম্পনের তীব্রতা অনুভূত হয়। জাভা দ্বীপের উপকূলে এই কম্পন বোঝা যায়।

ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে বা ইউএসজিএস জানাচ্ছে কম্পনের উৎসস্থল মাটি থেকে ৫০০ কিমি গভীরে। তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর বা প্রাণহানির খবর মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে।

এদিকে, ৫ই জুলাই ফের একবার কেঁপে উঠল মিজোরাম। গত কয়েকদিনে যেভাবে পরপর ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে মিজোরাম, তাতে রীতিমত আশঙ্কার ছায়া দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

রবিবার ফের একবার কম্পন অনুভূত হয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। মিজোরামের চম্পাইতে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে।

কম্পনের উৎসস্থল চম্পাই থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে। বিকেল ঠিক ৫ টা ২৬ মিনিটে এই কম্পন হয়েছে। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ৭৭ কিলোমিটার।

শুক্রবার রাজধানী দিল্লি ও এনসিআরে ভূমিকম্প হয় ৷ ভূমিকম্পের মান ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৭ ৷ দিল্লি এভাবে কেঁপে ওঠায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসীরা ৷ সেদিনও দিল্লির পাশাপাশি মিজোরামেও দুপুরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ন্যাশানাল সেন্টর অফ সিসমোলজির পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠতে হয়। গত সাতদিনে মোট ২৫ বার ভূমিকম্প হয়েছে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ৷

জুলাইয়ের ১ তারিখ মেঘালয়ে ২ টি, জম্মু-কাশ্মীরে ১ টি, ২ জুলাই জম্মু-কাশ্মীরে ফের ভূমিকম্প হয়৷ ৩ জুলাই দিল্লি এনসিআর, মিজোরামে ভূমিকম্প হয় ৷

একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে দেশ। যা নিয়ে রীতিমতো আশঙ্কার মেঘ দেখা দিচ্ছে ভূ-বিজ্ঞানীদের কপালে। প্রায় প্রতিদিনই দিল্লি, লাদাখ, মিজোরাম, ত্রিপুরা, হরিয়ানার মতো একাধিক এলাকায় ভূমিকম্প হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে-র রিপোর্ট বলছে, কোনও জায়গায় ছোট ছোট একাধিক কম্পন পর পর হওয়ার অর্থ বড় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যদি পরিসংখ্যান দেখা হয় তাহলে ২৬ জুন ১০টি ভূমিকম্প হয়েছিল৷ মিজোরাম ১, মেঘালয় ১, লাদাখ ১, হরিয়ানা ১, জম্মু-কাশ্মীরে ৬টি কম্পন হয়। ২৭ জুন হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরে ভূমিকম্প হয়৷ ২৮ জুন মণিপুরে দুটি, মেঘালয়ে ১টি, আন্দামানে একটি কম্পন হয়৷ ৩০ জুন ফের হরিয়ানায় দুটি, জম্মু-কাশ্মীর একটি ভূমিকম্প হয় ৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ