নয়াদিল্লি: কালো টাকা উদ্ধারে ভুয়ো সংস্থাগুলির (শেল কোম্পানিজ ) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কি পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত ছিল এবং বিমুদ্রাকরণের পর তাতে কত টাকা জমা পড়েছিল তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র৷ সেই নির্দেশ মেনে যা তথ্য জোগাড় হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে দেশের ৫ ,৮০০ ভুয়ো জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টে বিমুদ্রাকরণের পর ৪ ,৫৭৪ কোটি টাকা জমা পড়েছিল৷ শুধু তাই নয় ওই গচ্ছিত অর্থের ৪ ,৫৫২ কোটি টাকা তুলেও নেওয়া হয়েছে৷

এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্র জানিয়েছে ,১৩টি ব্যাংক থেকে বিমুদ্রাকরণের পর দেশের ২,০৯ ,০৩২টি সন্দেহজনক সংস্থার আর্থিক লেনদেন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে৷ এই সংস্থাগুলিকে এ বছরের গোড়াতেই রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজ -এর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গত মাসেই ২ লক্ষের বেশি ‘বাতিল ’ সংস্থার উপর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করে কেন্দ্র৷ এরপরেই ব্যাংকগুলির দেওয়া এই তথ্য নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

ব্যাংকের দেওয়া তথ্য ও পরিসংখ্যানকে কালো টাকা এবং শেল সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অভিযানে একটি ‘বিপুল সাফল্য ’ বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্র৷ বিজ্ঞন্তি অনুযায়ী , ২ লক্ষের বেশি ‘বাতিল ’ সংস্থার মধ্যে প্রথম দফায় ৫ ,৮০০ সংস্থার বিমুদ্রাকরণের আগের ও পরের লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গিয়েছে৷ এই সংস্থাগুলির মোট ১৩ ,১৪০টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে৷ ‘বেশ কিছু সংস্থার নামে ১০০টির বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে৷ এর মধ্যে একটিমাত্র সংস্থার নামেই শুধুমাত্র ২,১৩৪টি অ্যাকাউন্ট ছিল৷ এরপরেই সর্বোচ্চ ৯০০টি এবং ৩০০টি অ্যকাউন্ট এমন দুটি সংস্থার খোজ মিলেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কেন্দ্র৷