ফাইল ছবি

দিসপুর: বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে অসমে। রাজ্যের ২৬টি জেলার প্রায় ৫৭ লক্ষ মানুষ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত বন্যার জেরে নানা ঘটনায় অসমে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে অসম সরকার। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলিতে খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। স্পিডবোটে করে আটকে পড়া মানুষদের ত্রাণ শিবিরে তুলে আনা হচ্ছে।

করোনা ও বন্যার জোড়া ফলায় বিদ্ধ অসম। ঘোরতর বিপদে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। অসমের ২৬টি জেলা বন্যার জেরে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাড়িঘর, রাস্তা ভেঙে ভয়ঙ্কর ছবি জেলায়-জেলায়। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে বন্যার জেরে অসমে ৫৬ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৯৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে বেসরকারি মতে সংখ্যাটা আরও বেশি। বন্যা দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের তরফে মোট ৮৮৭টি ত্রাণ শিবির চালু রয়েছে।

তবে করোনা আবহে সামাজিক দূরত্ববিধি মানা থেকে শুরু অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ত্রাণ শিবিরগুলিতে কার্যত শিকেয় ওঠার জোগাড়। ইতিমধ্যেই বন্যার জলের তলায় চলে গিয়েছে লক্ষাধিক হেক্টর চাষের জমি। রাজ্যের প্রায় ৩ হাজার গ্রাম এখন জলের তলায়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের ধুবরি, লক্ষ্মীপুর, বিশ্বনাথ, দারাং, বকসা, নলবাড়ি, বরপেটা, ধীমাজি, কোকরাঝাড়, চিরাং, গোলাঘাট, জোড়হাট, মাজুলি, শিবসাগর, ডিব্রুগড়-সহ একাধিক জেলা বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই অসমে বাড়ছে করোনার দাপট। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৮ হাজার ৭৯১। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভয়ঙ্কর বিপদ অপেক্ষা করছে অসমের জন্য।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা কার্যত শিকেয় উঠেছে বন্যা দুর্গত এলাকাগুলিতে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন চলতে থাকলে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক চেহারা নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।