মোহালি: বার্জ ফ্লু আতঙ্ক এখন জেঁকে বসেছে উত্তর ভারতে। যাতে এই রোগ বেশি ছড়াতে না পারে তাই পাঞ্জাবের মোহালিতে দুটি পোল্ট্রি ফার্মের প্রায় ৫৩ হাজার পাখিকে মেরে ফেলা হবে। বৃহস্পতিবার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই খবর জানিয়েছেন। ওখানকার কিছু পাখির শরীরে এভিয়ান ফ্লু পাওয়া গিয়েছে। তাই এই পদক্ষেপ।

বুধবার ভোপালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই সিকিউরিটি অ্যানিমেল ডিজিজ ল্যাব থেকে মোহালির ডেরা বাসির বেহরা গ্রামের দুটি পোল্ট্রি ফার্মের পাখিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারি (পশুপালন ও দুগ্ধ) ভি কে জাঞ্জুয়া বলেছেন, “আজ বা কাল থেকে প্রায় ৫৩ হাজার পাখিকে মেরে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হবে।”

ভারত সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংক্রামিত খামারের এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত পোল্ট্রি ফার্মের পাখিদের মেরে ফেলতে হবে। তবে এই দুটি ফার্ম ছাড়া এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধে আর কোনও হাঁস-মুরগির খামার ছিল না। ফলে এই অঞ্চলে আর পাখি হত্যা হবে না।

তিনি আরও জানান, এই কাজটি করার জন্য ২৫টি দল গঠন করা হয়েছে। মৃত পাখিদের সমাধিস্থ করা হবে। দুটি পোল্ট্রি ফার্ম থেকে নেওয়া নমুনাগুলি বুধবার পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে H5N8 স্ট্রেনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। জলন্ধরের উত্তর নদার্ন রিজিওনাল ডিজিস ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি (এনআরডিডিএল) পাখিদের শরীরে বার্ড ফ্লু স্ট্রেন খুঁজে পায় ১৫ জানুয়ারি।

তারপর সন্দেহের নিরসনের জন্য নমুনাগুলি পাঠানো হয় ভোপালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই সিকিউরিটি অ্যানিমেল ডিজিজ ল্যাবে। প্রসঙ্গত, এই দুটি পোল্ট্রি ফার্ম হল স্তর খামার। এখানে পাখি ডিমের প্রতিপালন করে। হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ এবং দিল্লি সহ উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত হওয়ার পরে এই মাসের গোড়ার দিকে পাঞ্জাব সতর্কতা জারি করেছিল।

এদিকে বার্ড ফ্লুর আতঙ্ক কেড়ে নিয়েছে লালকেল্লায় প্রদেশের অনুমতি। দিল্লিতে থাবা বসিয়েছে বার্ড ফ্লু। বাদ যায়নি লালকেল্লা চত্বর। সেখানে সম্প্রতি বেশকিছু কাকের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে তার শরীরে বাসা বেঁধেছে বার্ড ফ্লু। ফলে প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় প্রবেশ পর্যটকদের জন্য নিষিদ্ধ।

দিল্লি সরকারের পশুপালন বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে লালকেল্লা চত্বরে ১৫টি কাকের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ও তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় পঞ্জাবের জলন্ধরের নদার্ন রিজিওনাল ডিজিজ ডায়াগোন্যাস্টিক ল্যাবরেটরিতে।

পরীক্ষায় দেখা যায় ওই ১৫টি কাকই বার্ড ফ্লুয়ের শিকার হয়েছিল। পশুপালন বিভাগের এক সিনিয়র অফিসার জানিয়েছেন, ওই পাখিগুলির একটির শরীরে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তাই সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই স্মৃতিসৌধের চত্বরে কোনও পর্যটককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।