নয়াদিল্লি : বেসরকারি সমীক্ষায় উঠে এসেছে নয়া তথ্য। দেখা যাচ্ছে ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা হুড়োহুড়ি রয়েছে আবার অনেক মানুষ এখনই নিতে চাইছে না ভ্যাকসিন। আমেরিকার সংস্থা কাস্টমাইজড ইন্টালিজেন্সি বিজনেস ইউনিট ভ্যাকসিনের জন্য একটি সমীক্ষা চালায় বিশ্বের ১৫টি দেশে। তার মধ্যে ছিল ভারতও।

সেখানেই ভ্যাকসিন এখনই নিতে ছায় এমনই মানুষ রয়েছেন ৫১ শতাংশ। ৪৯ শতাংশ মানুষ এখনই ভ্যাকসিন নিতে চান না। পরিস্থিতি ও সময় বুঝে দেখে তারপরে পদক্ষেপ নিতে চান তাঁরা। অনলাইন এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে ছিল অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, ফ্রান্স,জার্মানি, ভারত, জাপান, মেক্সিকো , রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, থাইল্যান্ড, তুর্কি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইউনাইটেড কিংডম ও আমেরিকা। ১৫ হাজার জন এই সমীক্ষায় তাঁদের মত জানান। ঘটনা হল এর মধ্যে মাত্র ১২০০ জন ভারত থেকে তাঁদের ভ্যাকসিন নেওয়া না নেওয়ার মতামত জানান। তাঁদের মধ্যে ৪৯ শতাংশ ভ্যাকসিন পরে নিতে চান। ৫১ শতাংশ মানুষ এখনই নিতে চান ভ্যাকসিন।

আবার ‘YouGov।’ সমীক্ষা অন্য কথা বলছে। এই সমীক্ষায় উঠে আশা তথ্য মারফত জানা গিয়েছে এই মুহূর্তে ৬৮ শতাংশ ভারতীয় করোনার ভ্যাকসিন নিতে প্রস্তুত হলেও এর একটা বড় অংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত। তাই এখনই ভ্যাকসিন নিতে নারাজ প্রায় ৩২ শতাংশ মানুষ।প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষ চাইছেন ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে কয়েকমাস অপেক্ষা করতে। ৩৩ শতাংশ মানুষ অবশ্য ভ্যাকসিন হাতে পেলেই তা নেওয়ার পক্ষপাতী। ১৩ শতাংশ মানুষ স্বেচ্ছায় ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীই নন, তবে সরকার বাধ্যতামূলক করলে নিতে রাজি আছেন। ১১ শতাংশ মানুষ বলছেন, একমাত্র কর্মস্থল থেকে ভ্যাকসিন নেওয়াটা বাধ্যতামূলক করলেই তারা টিকাকরণে অংশ নেবেন। টিকাকরণের ক্ষেত্রে অবশ্য বিদেশি ভ্যাকসিনের থেকে দেশি ভ্যাকসিনে আস্থা বেশি মানুষের। ৫৫ শতাংশ বলছেন, তাঁরা ভারতে তৈরি ভ্যাকসিনেই বেশি স্বচ্ছন্দ।

ভ্যাকসিনের খরচ বহন করা নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক বিতর্ক হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৩ কোটি স্বাস্থ্যকর্মী এবং ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের বিনামূল্যে করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষই মনে করছেন, সরকারের বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন বিলি করা উচিত। ৩৬ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, অন্তত গরিব মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণ করা উচিত। ১৪ শতাংশ মানুষ অবশ্য মনে করছেন, প্রত্যেকের উচিত নিজের টিকাকরণের খরচ বহন করা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।