নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের (CoronaVirus) দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত সারা দেশ। তারমধ্যেই হাসপাতালের শয্যা, অক্সিজেনের সঙ্কট চরমে৷ একাধিক চিকিৎসকদের মতে, করোনা সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার একমাত্র পথ ভ্যাকসিনেশন। এই একই কথা বললেন বিশিষ্ট চিকিৎসক দেবী শেট্টি (Debi Shetty)৷ তাঁর মতে, জনসংখ্যার ৫১ কোটির ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ হলেই অতিমারিকে ঠেকানো সম্ভব।

আরও পড়ুন: গরিবদের বিনামূল্যে খাবার-নগদ টাকা দিন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি অধীরের

ভারতের মতো দেশে মহামারী রোধের সবচেয়ে সহজ উপায় হল সবাইকে  দেওয়া। আর আগামী ২-৩ মাসে সেটা করা ভারতের জন্য একেবারেই কঠিন কাজ নয়। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্ব বিখ্যাত এই চিকিৎসক এমনটাই বলছেন৷ তিনি বলেছেন, “আমাদের মেনে নিতে হবে ভারত অনেক বড় একটা দেশ, এর জনসংখ্যাও প্রচুর। কিন্তু আমাদের হাতে সবরকম ব্যবস্থাও রয়েছে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে আমাদের ভ্যাকসিন দিতে হবে।”

আরও পড়ুন: সম্পূর্ণ টিকাকরণের পর হাসপাতালে ভরতির সম্ভাবনা রয়েছে ০.০৬ শতাংশের : রিপোর্ট

তৃতীয় পর্যায়ে ১৮-র ঊর্ধ্বে সকলের ভ্যাকসিনেশন ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু ভ্যাকসিনেশ পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় তা শুরুই হয়নি একাধিক রাজ্যে। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কোভিড টাস্কফোর্সের সদস্য দেবী শেট্টির বক্তব্য, ‘‘ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখলেও অতিমারি রোখা অসাধ্য নয়। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিনেশনে সেরা এবং সস্তার সমাধান। যত দ্রুত সম্ভব ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ করে ফেলা দরকার।’’ তাঁর দাবি, ‘‘একদিন লকডাউন করলেই ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সইতে হয় আমাদের। ভ্যাকসিনেশনে জোর দিলে ক্ষতির মুখে পড়তেই হবে না।’’

আরও পড়ুন: ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ কি বাকি, বাড়িতে বসেই করুন প্রি-বুকিং

দেবী শেট্টি বলেছেন, “ভারতের মতো দেশ, যার বার্ষিক গড় উৎপাদন ২০০ লক্ষ কোটি টাকা, সেখানে ৭০ হাজার কোটি টাকা কোনও ব্যাপারই নয়। উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গেই এই চুক্তি করা যায়। তাদের সঙ্গে দরদামও করতে পারে সরকার। সে ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ৫১ কোটি মানুষের ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ হওয়া সম্ভব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.