নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে লাগামছাড়া করোনার সংক্রমণ। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৫০। করোনায় মৃত বেড়ে ১৪ হাজার ১৫ জন। এই পরিস্থিতিতে পিএম কেয়ার ফান্ডের টাকায় দেশীয় প্রযুক্তিতে ৫০ হাজার ভেন্টিলেটর তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই ২ হাজার ৯২৩ টি ভেন্টিলেটর তৈরি হয়ে গিয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতা দেশজুড়ে। করোনার সংক্রমণ দেশে ছড়িয়ে পরার পরেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পিএম কেয়ার ফান্ড তৈরির ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে মুক্তহস্তে দান করার আবেদনও করা হয়েছিল। সেই মতো দেশের বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বলিউড সেলিব্রিটি ও ছোট-বড় বহু প্রতিষ্ঠান ওই তহবিলে টাকা দান করছেন।

প্রতীকী ছবি

পিএম কেয়ার ফান্ডের সেই টাকায় করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার তৎপরতা নেয় কেন্দ্র।

সেই মতো দেশীয় প্রযুক্তিতে ৫০ হাজার ভেন্টিলেটর তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই ২ হাজার ৯২৩ টি ভেন্টিলেটর তৈরি হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, আপাতত ১৩৪০টি ভেন্টিলেটর বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।

দেশের মধ্যে করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ মহারাষ্ট্রে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৭৯৬ জন।

মহারাষ্ট্রে করোনায় মৃত বেড়ে ৬ হাজার ২৮৩। সেই কারণেই মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ২৭৫টি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। দিল্লিতেও লাগামছাড়া সংক্রমণ। তামিলনাড়ুকে টপকে সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে রাজধানী দিল্লি।

দিল্লিতেও ২৭৫টি ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। একইভাবে গুজরাতে পাঠানো হয়েছে ১৭৫টি ভেন্টিলেটর, বিহারে ১০০টি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে, কর্নাটকে ৯০টি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, রাজস্থানেও সংকটজনক করোনা রোগীদের জন্য ৭৫টি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে এমনই তথ্য জানানো হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ