ফাইল ছবি। ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

নয়াদিল্লি: ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা থামিয়ে রাখা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই ৫০০০ পেরিয়ে গেল সেই সংখ্যা। বুধবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫২০০।

ইতিমধ্যেই দেশের হটস্পটগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যাটা আরও উদ্বেগজনক। ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

ভারতের মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫,১৯৪। এর মধ্যে ৪০১ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছে।

পুনেতে বুধবারই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। অন্যদিকে, মুম্বইয়ের ধারাভি বস্তিতে নতুন করে আরও দু’জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০।

অন্যদিকে, কাশ্মীরে নতুন করে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছে। কাশ্মীরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫। দিল্লি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। তাঁকে এইমসে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯১।

যদিও রাজ্যে ১৩ জন করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে বলে মন্ত্রকের বুলেটিনে দাবি করা হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা তিনই দাবি করা হয়েছে। যদিও আজ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি বলেন, রাজ্যে করোনায় মৃত ৫, আক্রান্ত ৬৯। আগে করোনায় তিনটি মৃত্যুর কথা বলা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষার পরে ৫টি মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছে।

সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগে রাজ্যে করোনায় তিনজনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছিল। তবে পরে বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে ৫ জনের মৃত্যুর খবর জানান। তবে কেন্দ্রের বুলেটিন অন্য কথা বলছে…! কেন এমন আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

যদিও এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন যে, বিজেপির আইটি সেল ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে। ভুল তথ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আতঙ্কিত করছে। সেটাই কি তাহলে সত্যি! প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে। না এক্ষেত্রেও কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত?