স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই! বিজেপি না তৃণমূলে? কোন রাস্তায় শেষ পর্যন্ত হাঁটবেন ‘জননেতা’ সেদিকেই তাকিয়ে এখন সভায়। এই পরিস্থিতিতে ফের বড়সড় ভাঙন তৃণমূলে। বাঁকুড়ায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাল বিজেপি। এবার ৫০০ জন সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন ।

বিজেপি সূত্রে দাবি, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কলাবাগান গ্রামের সমস্ত সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য মিলিয়ে মোট ৫০০ জন তৃণমূল ছেড়ে তাদের দলে যোগ দিয়েছেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্য বিজেপি সংখ্যালঘু সেল এর কোষাধক্ষ্য মহুর আলি মল্লিক।

গ্রামবাসীদের তরফেও বিজেপির দাবিকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, আগে তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূলের অনুগামী ছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের অত্যাচারে এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে তাঁরা তৃণমূল শিবির ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলেন বলেই জানিয়েছেন ।

অন্যদিকে, মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। গেরুয়া শিবিরেরও দাবি, তাঁদের দলেই আসছেন শুভেন্দু। শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিজেপি সূত্রে এও জানা যাচ্ছে যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কলকাতা সফরেই কি শুভেন্দুর দলবদল একপ্রকার নিশ্চিত।

গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাসের ৭, ৮ ও ৯ তারিখে বাংলা সফরে আসছেন নাড্ডা। ওই সময়ই শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, শহিদ মিনারের জনসভায় গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিতে পারেন শুভেন্দু। এমনটাও রাজনৈতিকমহলে জল্পনা রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।