স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: গঙ্গা সংলগ্ন ক্যানেলে ভয়াবহ ধসে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে উত্তর ২৪ পরগণার গারুলিয়ার পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগর এলাকায়৷ প্রায় ৫০ ফুট ধসে গিয়েছে গঙ্গা সংলগ্ন কংক্রিটের ক্যানেলের গার্ড ওয়াল। আরও বিপদের আশঙ্কা বাড়িয়েছে গত তিন দিন ধরে চলা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফলে যে কোন সময় ওই ক্যানেলের বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। ওই ক্যানেলের কংক্রিটের বোল্ডার ধসে পড়ার কারণে ইতিমধ্যেই মাটি বেরিয়ে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই ক্যানেলের ধস অবিলম্বে মেরামতি না করলে বানের জলে ক্যানেলের বাকি অংশ আলগা হয়ে ধসে যাবে৷ ফলে ভরা কটালের জলে ভেসে যেতে পারে গঙ্গা তীরবর্তী গারুলিয়া পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগর এলাকা। এই ওয়ার্ডে অন্তত পাঁচ হাজার নাগরিকের বসবাস। ৮৪০ টি বাড়ি রয়েছে গঙ্গা তীরবর্তী এই এলাকায়। গঙ্গার জল ঢুকলে ভেসে যাবে গোটা এলাকাটি। স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন গারুলিয়া পুরসভার স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর রমেন দাসকে।

তিনি নিজে ওই ক্যানেলের ধসে যাওয়া অংশটি মোবাইলে ছবি তুলে প্রশাসনিক উচ্চ পদস্থ কর্তাদের কাছে পাঠিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তাদের অবগত করেন। রমেন দাস বলেন, ‘পরিস্থিতি সত্যিই বিপদজ্জনক। ওই ক্যানেলের গার্ড ওয়াল ধসে গেলে ভেসে যাবে গোটা এলাকাটি। আমি বিষয়টা ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে সকলকে জানিয়েছি। সামনেই দোল পূর্ণিমা। ফলে ভরা কোটালে গঙ্গায় জল বেড়ে এলাকায় বন্যার হতে পারে৷ কয়েক হাজার মানুষ সমস্যায় পড়বে। আমিও চাই প্রশাসন অবিলম্বে এই ক্যানেলের গার্ড ওয়ালের সংস্কার করুক।’

গারুলিয়া পুরসভার ২২ টি ওয়ার্ডেরই দূষিত জল ওই ক্যানেলের মধ্যে দিয়ে গঙ্গায় গিয়ে পড়ে। সেই ক্যানেলের বড় অংশে ধস নামায় বিপদের আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীর। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রাতে বান আসলে কি হবে তা বলা যাচ্ছে না। এদিকে গারুলিয়া পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা গিয়ে ওই ধস কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছে। তবে এখনও শুরু হয়নি ওই ধস সংস্কারের কাজ।

এলাকাবাসী চাইছেন দোল পূর্ণিমার আগেই ওই ক্যানেলের ধস সংস্কার করুক প্রশাসন। তবে কবে ক্যানেলের ধস সংস্কারের কাজ শুরু হবে তা স্পষ্ট করে জানায়নি প্রশাসন। ফলে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন গারুলিয়া পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.