স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের হাজার জল্পনার মাঝে ফের নয়া মাত্রা যোগ করলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় গঙ্গা ভ্রমণের সময় তাঁর দাবি, ”শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।”

সেইসঙ্গে অর্জুন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যেদিন শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেবেন, তৃণমূলের সরকার থাকবে না৷”

এ দিন সকালে অর্জুন সিং নিজের সাংসদ এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে ছটপুজো উপলক্ষে দেখা করেন৷ ভুটভুটিতে চেপে গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে ঘোরেন তিনি৷ তখনই শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের তৈরি হওয়া ‘দূরত্ব’ নিয়ে একের পর এক মন্তব্য করেন তিনি৷

শুভেন্দুকে জননেতা বলে দাবি করে অর্জুন বলেন, “যেভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে, তাতে এক মুহূর্ত ওনার মতো জননেতার তৃণমূলে থাকা উচিত নয়৷ যেভাবে আমাকে অপমান করা হচ্ছে, একই কায়দায় শুভেন্দু অধিকারীকে হেনস্থা করা হচ্ছে৷ একজন জননেতাকে এ ভাবে আটকানো যায় না৷ ভারতীয় জনতা পার্টিকে সবসময় তাঁকে স্বাগত৷”

সম্প্রতি, অরাজনৈতিক একাধিক সভায় নানা দলের নাম না করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তীব্র হয়। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই শুভেন্দু অধিকারীরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্বাগত জানিয়েছেন।

তবে, ১৯ তারিখ রামনগরের সভা থেকে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ন মন্তব্য, ”মুখ্যমন্ত্রী আমাকে তাড়াননি, আমিও দল ছাড়িনি।”

এদিকে, শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মধ্যে সেই তালিকায় এবার সৌগত রায়ের নামও জুড়লেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, বর্তমান বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।

এপ্রসঙ্গে সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, “আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব। তবু বিজেপিতে কিছুতেই যাব না। কারণ, বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল বলেই আমি মনে করি। তার বিরুদ্ধে লড়াই সবসময় জারি থাকবে। উনি যা বলছেন, তা বিজেপির মিথ্যা প্রচার, গুজব উসকে দেওয়ার নীতি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।