স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: দ্রুত গতিতে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে এক মহিলা সহ ৫জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বুধবার বিকেল ৫ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে খড়গপুর গ্রামীণ থানা এলাকার ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের সতকুইয়ে৷ ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন ২২জন বাসযাত্রী৷ তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷ কয়েকজনকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে কলকাতায়৷ ঘটনার পর থেকেই পলাতক ঘাতক বাসের চালক৷ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে সোনাকনিয়া থেকে মেদিনীপুরমুখী একটি যাত্রী বোঝায় বাস দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল৷ সতকুইয়ের কাছে আচমকায় গাড়ির স্টিয়ারিং কেটে যায়৷ তারই জেরে দ্রুতগতিতে বাসটি জাতীয় সড়কের পাশে থাকা গভীর নয়নজুলিতে গিয়ে পড়ে৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসের জানালার ধারে থাকা কয়েকজন এমনভাবে পড়েন, যে ঘটনাস্থলেই বাসের জানলায় কাটা পড়ে মৃত্যু হয় তাঁদের৷ চাপা পড়ে মৃত্যু হয় আরও ২ জন বাসযাত্রীর৷ নিহতদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন৷ তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি৷ আহতদের বেশিরভাগই মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা৷

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট জাতীয় সড়কের সতকুই এলাকায় মাস কয়েক আগেও একটি হাম্পার ছিল৷ কিন্তু সম্প্রতি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তা সংস্কারের কাজ করেন৷ জাতীয় সড়কে হাম্পার রাখা যায় না, এই যুক্তিকে তাঁরা সতকুই এলাকা থেকে হাম্পারটি তুলে নেন৷ বাসিন্দাদের অভিযোগ, এরপর থেকেই গাড়ির চালকেরা বেপরোয়া গতিতে সংশ্লিষ্ট জনবহুল এলাকায় গাড়ি চালাচ্ছে৷ ফলে হামেশাই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে৷ দুর্ঘটনা এড়াতে সতকুইয়ের বাসিন্দারা এলাকায় দ্রুত হাম্পার বসানোর দাবি জানিয়েছেন৷