মুম্বই: দীর্ঘ ১৪ মাস জেলে থাকার পরে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন পাঁচ নাবিক। বলা ভালো বিদেশের জেলে কাটিয়ে দেশে ফিরলেন তাঁরা। কোনও পড়শি দেশের জেল নয় সুদূর গ্রীসের জেলে বন্দি ছিলেন পাঁচ ভারতীয় নাবিক।

রবিবার বিশেষ জাহাজে করে তাঁরা দেশে ফিরেছেন। এদিন মুম্বই বন্দরের মাধ্যমে তাঁরা এক বছরেরও বেশি সময় পরে ভারতের মাটিতে পা রাখেন। ওই পাঁচ নাবিক হলেন, সতীশ বিশ্বনাথ পাটিল, জয়দীপ ঠাকুর, ভুপিন্দর সিং, প্রীতম সিং এবং বালকর সিং।

আরও পড়ুন- রাজনাথে’র বিরুদ্ধে মহাজোটে’র সম্ভাব্য প্রার্থী শত্রুঘ্ন জায়া

পেশার কারণে সমুদ্রপথে ভ্রমণ করতে হয় নাবিকদের। আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে যেতে বহু দূর দেশে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তেমনই এমভি অ্যন্ড্রোমেডা নামক জাহাজে করে রওনা হয়েছিলেন ওই পাঁচ ভারতীয় নাবিক। সাইপ্রাস থেকে লিবিয়া যাচ্ছিল ওই জাহাজটি।

এক মাস পরে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে গ্রীসে প্রবেশ করে সেই জাহাজ। পিয়ার্স হারবার বন্দরে নোংর করেছিল এমভি অ্যন্ড্রোমেডা। ঠিক তখনই ঘতে বিপত্তি। জাহাজটিতে করে বহন করা হচ্ছিল বিস্ফোরক। ওই দেশের উপকূলরক্ষা বাহিনীর জওয়ানেরা তল্লাশিতে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। জাহাজে করে বিস্ফোরক বহন করার কারণে নাবিকদের গ্রেফতার করা হয়। সেই নাবিকদের দলে এই পাঁচ ভারতীয় ছিলেন।

আরও পড়ুন- কালীঘাটের ব্যানার্জ্জী পরিবারের সম্পত্তি বাড়ছে, সব নারদা-সারদার টাকা : সৌমিত্র খাঁ

বিষয়টি জানার পরেই ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারণ ভারতীয় নাবিকেরা ওই জাহাজের সাধারণ কর্মী ছিল মাত্র। জাহাজে করে কী বহন করা হচ্ছে তার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না ওই কর্মীদের। মারিটাইম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বাড়িয়ে দেওয়া হয় সাহায্যের হাত। জেল বন্দি পাঁচ নাবিকের জন্য মেডিক্যাল এবং সাইক্রিয়াটিক সাহায্য করার ব্যবস্থা করে তারা। একই সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রক ওই নাবিকদের দেশে ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়।

এদিন দেশে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ওই পাঁচ নাবিক। নিজের দেশের মাটিতে পা রেখে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে। এক নাবিকের কাহিনী আবেগতাড়িত করেছে সমগ্র দেশকে। তিনি বলেছেন, “আমি যখন শেষবার বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলাম তখন আমার মেয়ের বয়স ছিল ছয় মাস। এখন সে দু’বছরের হয়ে গিয়েছে, হাঁটতে শিখেছে। মেয়ের প্রথম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাক্ষী থাকতে পারলাম না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।