কোচি: অতিবর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কেরলে। টানা বৃষ্টিতে মাটি হালকা হয়েছে। শুক্রবার সকালেই ভয়াবহ ভূমিধসের খবর এসেছে। প্রায় ৮০ জনের বেশি মানুষ সেখানে আটকে পড়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই কমপক্ষে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের ইদুক্কি জেলায়। পরিস্থিতির উপর নজর রেখে এরনাকুলাম, ইদুক্কি, থ্রিসুর, পালাক্কাড, কোজিকোডে, ওয়ানাদ, কান্নুর, কাসারগূড অঞ্চলে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। যার অর্থ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। মালাপ্পুরমের জন্য জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে সাইলাজা বলেছেন, ইতিমধ্যেই মেডিক্যাল টিম এবং ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স ইদুক্কিতে পাঠানো হয়েছে। যারা আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও দল যাবে বলেও জানানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।

কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এ বিষয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহায্য চেয়ে জানিয়েছেন যাতে মুন্নারের ইদুক্কিতে হেলিকপ্টার দেওয়া হয়। সেখানকার মানুষদের উদ্ধার করতে আইএএফের সাহায্য চেয়েছেন তিনি। সেখানে এই পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছেন বহু চা-বাগানের কর্মী।

তবে ঠিক কতজন আটকে রয়েছেন সে বিষয়ে কোনও সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেনি প্রশাসন। ভূমিধসের জন্য সব যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

উপস্থিত হয়েছে এনডিআরএফ, ফরেস্ট এবং রেভিনিউ আধিকারিকরা উদ্ধারকাজে আরও গতি আনার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

অতি বৃষ্টিতে একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। কেরলের একাধিক জায়গায় অগাস্টের ১১ তারিখ অবধি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত মুন্নার। ২০১৮ সালের বন্যাতেও এই এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এইবার টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে রীতিমত বানভাসী বিস্তীর্ণ এলাকা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা