মন্ত্র আমাদের আত্মার ক্ষেত্রে মহাষৌধির মতন কাজ করে৷ আমরা আমাদের অবচেতন মনে কোনওরকম যখন অন্যায় করি,  সেই অন্যায়ের ফলে আমাদের যা পাপ হয়৷ এই মন্ত্রোচ্চারণের ফলে একেবারেই আমরা শুদ্ধ হয়ে যায়৷ এমনটাই কথিত রয়েছে বিভিন্ন মহাকাব্যে৷

সংস্কৃত ভাষাটি সঠিক এবং শুদ্ধ ভাষা হিসেবে বিবেচ্য হয়৷ এই সংস্কৃত শ্লোক উচ্চারণের ফলেই আমাদের দেহ মন শুদ্ধ হয় বলে দাবি করে একাংশ৷ এই মন্ত্রের জোর খুবই বেশি৷ সংস্কৃত শ্লোক হিসেবে বিখ্যাত পাঁচটি শ্লোক রয়েছে৷ এইসমস্ত শ্লোকগুলি মন থেকে উচ্চারণ করা হলে ফল পাওয়া যাও বলে বিশ্বাস করেন একাংশ৷ এই বিখ্যাত পাঁচটি মন্ত্র হল-

১) ওম- এই মন্ত্রটির জোর খুবই বেশি৷ কথিত আছে, মন থেকে এই ওম শব্দটি উচ্চারণ করা হলে ৪৩২ মেগাহার্জে চারপাশ কাঁপিয়ে তোলে এই মন্ত্রটি৷ তবে এই বিষয়টি সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক৷ সাধারণত যোগাসন কিংবা মেডিটেশন করার সময় একমনে এই মন্ত্রটি উচ্চারণ করা হয়ে থাকে৷

২) ওম নম: শিবায়:- এই মন্ত্রটির মানে হল শিবকে প্রণাম করা৷ যিনি ভয়ংকর শক্তিশালি দেবতা রূপে খ্যাত পৃথিবীতে৷ এমনকি ব্রহ্মা এবং বিষ্ণুর থেকেও এই দেবতার ক্ষমতা অনেকগুণ বেশি৷ এমনটাই মনে করা হয়৷ ‘ইট প্রে লাভ’ বইটিতে উল্লেখ আছে, এলিজাবেথ গিলবার্ট তাঁর গুরুর থেকে এই মন্ত্রটি পেয়েছিলেন৷ আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলার জন্য এই মন্ত্রটি বিশেষ কার্যকরী৷

৩) লোকাহ সমস্থ সুখিনো ভবন্তু- সুখী এবং মুক্ত থাকার ক্ষেত্রে এই মন্ত্রটি একেবারেই আদর্শ একটি মন্ত্র৷ সুখী জীবন হিসেবে কাটানোর জন্য এই মন্ত্রটি যোগ্য মন্ত্র৷ অহিংস রূপে জীবণযাপনের ক্ষেত্রে এই মন্ত্রটি খুবই কার্যকরী৷  এই মন্ত্রটি পরিবেশ, প্রাণী এবং মানুষের মধ্যে সহানুভূতি, সহমর্মিতার সৃষ্টি করে৷

৪) শান্তি মন্ত্র- এটি একটি সাধারণ মন্ত্র৷ ঠাকুর যাতে আমাদের সবরকম পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করে৷ তাই এই মন্ত্রটি একেবারে আদর্শ৷ কাজের জন্য আমাদের মনে শক্তি যোগাবে এই মন্ত্রটি৷

৫) ওম গাম গনপতেয়ি নম:- হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, গণেশ দেবতা হল জ্ঞান এবং সাফল্যের দেবতা৷ যেকোনও বাধা অতিক্রম করতে এই মন্ত্রটি আদর্শ৷