কলকাতা: ওজন কমানো ও শরীর সুস্থ রাখতে অনেকরকম ডায়েট রয়েছে দেশে। তবে সবথেকে ভালোটা বাছাই করা ভালো। এতে ফল হবে কার্যকরী ও সুদূরপ্রসারী। দেখা গেলো নিজের ওজন কমাতে আপনি হয়তো অনেকগুলো নিয়ে পড়াশোনা করেছেন বা ট্রাইও করেছেন। কিন্তু কোনটা আপনার জন্যে বেস্ট সেটা বুঝতে পারছেন না। তাহলে এবার ট্রাই করুন “ফাইভ এ ডে”। এতে স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে ভরপুর। এটা মেনে চলা খুব কঠিন না। বাজারে যেসব সব্জি ও ফল পাওয়া যায় তা দিয়েই হবে এই ডায়েট।

বেশিরভাগ ফল ও সব্জিতে ক্যালরি কম থাকে। ফলে সহজেই এগুলো খাওয়া যায়। সঠিক ক্যালরি মেপে খেলে কখনোই ওজন বাড়ে না। বরং আপনার শরীর ও মন দুইই ভালো থাকে। ফল ও সব্জিতে বেশ ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে হজম ক্রিয়া ভালো হয়।

২মিলিয়ন অংশগ্রহণকারীদের উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে “ফাইভ এ ডে” ডায়েট বেশিদিন বাচঁতে ও সুস্থভাবে বাচঁতে সাহায্য করে থাকে। এতে মারণ রোগ, ক্যান্সার, কার্ডিও ভাস্কুলার রোগ এসব হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এতে আপনাকে প্রতিদিন অন্তত ৪০০ গ্রাম ফল ও সব্জি খেতে হবে প্রতিদিন।

দুধ, কলা বা অন্য সব্জি দিয়ে স্মুদি বানান ব্রেকফাস্টে। এরপর দুপুরের খাবারে থাকবে গ্রিলড চিকেন স্যালাড, ভেজ স্যুপ, সুশি। ডিনারে থাকবে স্টিক ও সামার মিক্সড ভেজ। প্রতিদিন ডায়েটে এক ফল বা সব্জি রাখবেন না। বিভিন্ন সময়ে নানা মিলিয়ে করুন ডায়েট। খাবার খান অল্প অল্প করে। .

তবে “ফাইভ এ ডে” ডায়েট মানার সময় কিছু জিনিস আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। সব্জি ও ফলে প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে। তাই এগুলি বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের সমস্যা হতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি হতে পারে। আম, কলা, অ্যাভোকাডোতে ক্যালরি অনেক কম যদিও। তাই এগুলি বেশি খাবেন। তবে যেহেতু সব সব্জি ও ফল আপনার জন্যে কার্যকর নাও হতে পারে তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন একবার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.