ওয়েলিংটন: সেডন পার্কের পুনরাবৃত্তি ওয়েস্টপ্যাকেও৷ শুক্রবার ওয়েলিংটনে চতুর্থ ম্যাচও গড়াল সুপার ওভারে৷ সুপার ওভারে ভারতের সামনে টার্গেট ১৪ রান৷ প্রথম ব্যাটিং করে ১৩ রান করে নিউজিল্যান্ড৷

চতুর্থ ম্যাচে ১৬৬ রান তাড়া করতে নেমে ম্যাচ টাই করে নিউজিল্যান্ড৷ শেষ ওভারে সাত রান করলে জিতবে এই অবস্থায় শার্দুল ঠাকুর মাত্র ৬ রান দেন৷ ফলে তৃতীয় ম্যাচের মতো চতুর্থ টি-২০ ম্যাচও গড়াল সুপার ওভারে৷ কলিন মুনরো ও টিম সেইফের্টের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে বিরুদ্ধে প্রথম দিকে বিশেষ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা৷ কিন্তু শেষ ওভার থ্রিলারের সাক্ষী থাকলেন ওয়েস্টপ্যাকের দর্শকরা৷ রান তাড়া করতে নেমে মুনরো ও সেইফের্ট দু’জনেই হাফ-সেঞ্চুরি করেন৷ মুনরো ৬৪ এবং সেইফের্ট ৫৭ রান করেন৷

এদিন টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড৷ কিন্তু আগের ম্যাচের নায়ক রোহিত শর্মা ছাড়া এদিন কিউয়িদের বড় রানের টার্গেট দিতে ব্যর্থ হয় কোহলি অ্যান্ড কোং৷ রোহিত না-থাকায় এদিন লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ভারতীয় ইনিংস শুরু করেন সঞ্জু স্যামসন৷ কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ কেরলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ ৫ বলে ৮ রান করে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন সঞ্জু৷ ব্যাটিংয়ে বারবার ব্যর্থ হওয়ায় ঋষভ পন্তকে বাইরে রেখেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট৷ এবার সঞ্জুও মনে হয় না আর সুযোগ পাবে বলে৷

আগের ম্যাচে রান পেলেও এদিন ব্যর্থ বিরাট কোহলি৷ ব্যক্তিগত ১১ রানে বেনেটের স্লো-ডেলিভারিতে ঠকে গিয়ে সহজ ক্যাচ তুলে দেন ক্যাপ্টেন কোহলি৷ রান পাননি শ্রেয়স আইয়ারও৷ ৭ বলে মাত্র ১ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন শ্রেয়স৷ তবে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে ডাগ-আউটে ফেরেন ফর্মে থাকা রাহুল৷ ২৬ বলের ইনিংসে দু’টি ছক্কা ও তিনটি বাউন্ডারি মারেন তিনি৷

তবে নবম উইকেটে মনীশ পান্ডে ও নভদীপ সাইনির লড়াইয়ে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে ভারত৷ ৩৬ বলে তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫০ রানের অপরাজিত থাকেন মনীশ৷ আর ৯ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন সাইনি৷ মহম্মদ শামির পরিবর্তে এদিন দলে ঢোকেন সাইনি৷ এর আগে ১৫ বলে ২০ রানের ঝোড়ো ইনংস খেলেন আর এক পেসার শার্দুল ঠাকুর৷