নয়াদিল্লি : ফের কৃষকের আত্মহত্যা। এবার দিল্লির টিকরি সীমান্তে আত্মহত্যা করলেন ৪৯ বছরের এক কৃষক (49-year-old Haryana farmer)। হরিয়ানার হিসারের সিসাই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। টিকরি সীমান্ত থেকে মাত্র সাত কিমি দূরে আত্মহত্যা করেন তিনি। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রের কৃষি আইনের (Farm laws) বিরোধিতা করেই আত্মহত্যা করেছেন রাজবীর সিং বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থা উদ্ধার হয় রাজবীরের দেহ (farmer dies by suicide)। বাহাদুরগড় পুলিশ স্টেশনের কর্তব্যরত আধিকারিক বিজয় কুমার জানান দেহের কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন তাঁর এই বলিদান যেন ব্যর্থ না হয়। কৃষি আইন বাতিলের পরেই যেন বিক্ষোভকারীরা দিল্লি ছাড়েন। তার আগে নয়।

ডিসেম্বর মাসেও কৃষক বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়ে সিঙ্ঘু সীমানায় এক শিখ গুরু নিজেকে গুলি করেন। ৬৫ বছরের এই শিখ গুরু নিজের বৈধ অস্ত্র দিয়েই নিজেকে গুলি করেন। তাঁর লেখা সুইসাইড নোট উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই তাঁর এই আত্মহত্যা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সন্ত বাবা রাম সিংয়ের। তিনি একজন ধর্ম প্রচারক ছিলেন। ওই শিখ গুরু হরিয়ানার কারনালের বাসিন্দা। হরিয়ানা ও পঞ্জাবে একাধিক ভক্ত ছিল তাঁর।

পঞ্জাবি ভাষায় লেখা ওই চিঠিতে বিস্তারিত লেখেন তিনি। কৃষকদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে ও কেন্দ্রের ভুল কৃষি বিলের বিরোধিতায় এই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি বলে লেখেন শিখ গুরু। এদিকে, এর মধ্যে অবশ্য আন্দোলন ভাঙতে চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে বারবার। কখনও বলপূর্বক, আবার কখনও মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখানোর অভিযোগও তুলেছেন কৃষকেরা। তবুও রাজধানী ঘিরে অনড়, দৃঢ় সংকল্পিত কৃষকেরা।

সংযুক্ত কিষাণ মঞ্চের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে আন্দোলনরত ২৪৮ কৃষকের। তবুও সাফল্য এখনও আসেনি। রাস্তায় আন্দোলনরত, ধর্না দেওয়া অন্নদাতাদের আর্তনাদ এখনও গলাতে পারেনি সরকারের মন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।