ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: লকডাউন ও ভাইরাস সংক্রমণের জেরে অর্থনীতির বেহাল দশা। রুটি রুজির অভাবে সংসার চালাতে ঋণের দিকে ঝুঁকতে হয়েছে। সম্প্রতি হোম ক্রেডিট ইন্ডিয়া এক সমীক্ষা বলা হয়েছে, করোনা সংকটের জেরে ভারতবর্ষে ৪৬ শতাংশ মানুষ টাকা ধার করে এখন সংসার চালিয়েছেন।

পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় যে, পরিবারের জন্য ন্যূনতম যেটুকু দরকার তার জন্যেও অপরের কাছে হাত পাততে হয়েছে। দেশের সাতটি শহরকে ভিত্তি করে এই সমীক্ষা করা হয়েছে , যার মধ্যে কলকাতাও রয়েছে। সমীক্ষা অনুসারে, ধার করার নিরিখে সবার আগে রয়েছে মুম্বই এবং ভোপাল।

তারপরের স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাটনা ও দিল্লির। জয়পুর ও হায়দারাবাদ রয়েছে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে। একদম শেষে স্থান কলকাতা। এ রাজ্যে মাত্র ১২ শতাংশ মানুষ ধার করে সংসার চালিয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ আটকাতে লকডাউন জারি হয়েছিল এপ্রিল এবং মে মাসে । প্রায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল অর্থনৈতিক কাজকর্ম । তবে জুনে আনলক পর্বের শুরু হয়। তত দিনেই বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছে অথবা চাকরি থাকলেও কমে গিয়েছে মাইনে।

যা পরিস্থিতি তাতে বিভিন্ন পেশার মানুষের হাত প্রায় খালি। অথচ জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে এমন যে তাতে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। অগত্যা ধার করা ছাড়া তাদের আর কোনও রাস্তা নেই।

এই সমীক্ষায় ২৭ শতাংশ মানুষ এমন কথাও বলেছেন, টাকার অভাবে ইএমআই দিতে পারা যাচ্ছিল না। আর সেই কিস্তি মেটাতে নতুন করে ঋণ করতে হয়েছে। ১৪ শতাংশের দাবি করেছেন, তাঁরা চাকরি খুইয়ে বসে আছেন। তাই সংসার চালাতে ধার করা ছাড়া কোনও পথ খোলা ছিল না। সমীক্ষায় ১৩ ভাগ লোক অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁরা এখনই এসব ব্যাপারে চিন্তাই করছেন না। আগে পুরনো ধার শোধ মেটাবেন। তারপর পরে মেটান হবে পর নেওয়া ঋণের অর্থ।

এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে যারা এভাবে ঋণ করে সংসার চালাচ্ছিলেন তাদের প্রতি চারজনে একজন বন্ধু বা পরিচিতদের থেকে টাকা ধার নিয়েছেন। সমীক্ষায় লক্ষ্য করা গিয়েছে, এই ব্যাপারে মহিলাদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন পুরুষরাই।

অন্যদিকে মহিলারা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে মূলত নির্ভর করেছেন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উপর। দেখা গিয়েছে তারা বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এবং তা পরিশোধ করার ব্যাপারে কোনও পরিকল্পনা নেই প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের। তাঁদের পরিকল্পনা, নতুন চাকরি অথবা হাতে যথেষ্ট পরিমাণ নগদ এলে তখন এই টাকা শোধ করবেন

গত বছর আগস্ট মাসে এই সমীক্ষা করা হয়েছিল ভারতে। সেখানে দেখা গিয়েছিল, ৩৩ শতাংশ মানুষই ধার করেছেন খুচরো খরচ মেটাতে। গাড়ি, বাড়ির মতো কোনও বড় সম্পত্তি কেনার জন্য নয়। ধার করা হয়েছে সাধারণত ল্যাপটপ, বড় মাপের টিভি কিংবা পেল্লাই সাইজের ফোন কেনার জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I