নয়াদিল্লি: করোনা মহামারীতে বিধস্ত গোটাদেশ। সংক্রমণ ঠেকাতে জারি রয়েছে লকডাউন। তবুও মিলছে না স্বস্তি।

দেশের এমন টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে এবার একই আবাসনের ৪৪জনের শরীরে মিললো করোনা ভাইরাসের জীবাণু। দশদিন আগে ওই আবাসিকদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তাঁদের রক্তের নমুনায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

শনিবার সরকারি সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ কাপাশেরা এলাকায় এই সংক্রমণ ধরা পড়ে। তার পরেই সিল করে দেওয়া হয়েছে গোটা এলাকা।

এদিকে করোনা সর্তকতায় দেশের চারটি বড়ো মেট্রো শহর তথা কলকাতা,দিল্লি, চেন্নাই ও মুম্বই রয়েছে রেডজোনে। এমত অবস্থায় একসঙ্গে এত জন ব্যক্তির করোনা সংক্রমণের বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের প্রশাসনের কাছে।

দিল্লি স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, গত মাসের ২০এপ্রিল ওই আবাসনের ১৭৫জন বাসিন্দার করোনা টেস্ট করা হয়। এদিন তাদের মধ্যে ৬৭ জনের রিপোর্ট আসে। আর সেখানে ওই ৬৭জনের মধ্যে ৪৪জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপরই সর্তকতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে সিল করে দেওয়া হয় গোটা এলাকা।

মনে করা হচ্ছে, কাপাশেরা অত্যন্ত ঘন জনবসতিপূর্ণ হওয়ায় কোনও ভাবে কারও শরীর থেকে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। যারফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই অঞ্চলের আরও অনেকেই সংক্রামিত হয়ে থাকতে পারে।

এদিকে করোনার হটস্পট হিসেবে রেডজোনে রয়েছে দিল্লি। সংক্রমণ রুখতে আগামী ১৭মে পর্যন্ত রাজধানী শহরে কার্যকর থাকবে লকডাউন। এমত অবস্থায় গত চব্বিশ ঘন্টায় দিল্লিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার৭৩৮ জন। প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৬১জন।

প্রসঙ্গত, গত চব্বিশ ঘন্টায় সারাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২হাজার ২৮৩। ফলে এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭হাজার ৩৩৬। মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১হাজার ২১৮।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ