বারাকপুর: ‘‘৪১ জন বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হলেই তারা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন। দিদিমণি এই সরকারকে কোন ভাবেই বাঁচাতে পারবে না। উনি এখন ব্যস্ত ভাইপোকে বাঁচাতে । এখন যে দুই একজন তৃণমূল বিধায়ককে দেখেন টিভিতে তৃণমূলের হয়ে বিতর্ক সভায় বক্তব্য রাখছেন, তাদেরই দুই একদিন পরে দেখবেন ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা হাতে তুলে নিচ্ছেন ।’’

শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুর নাটাগড়ে চা-চক্রে যোগ দিতে এসে প্রকাশ্য সভায় দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করেন অর্জুন সিং। এদিন অর্জুন সিং মদন মিত্রের সমালোচনা করে আরও বলেন, “মদন মিত্রকে এলাকায় ঢুকতে দেবেন না ও নোংরা লোক। সুস্থ সমাজকে দূষিত করে তুলবে। চোরকে যে ভাবে সবাই এলাকা ছাড়া করে, সেই ভাবে মদন মিত্রকে তাড়িয়ে দিন এলাকা থেকে। এখনও অনেক দুষ্কৃতী, পুলিশ বুঝতে পারছে না যে এই সরকার বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে না। তাই যারা সরকারের পক্ষে স্বেচ্ছাচারিতা করছে করুন, এখন সময়ের অপেক্ষা। যারা আমাদের কর্মীদের এখনও মারছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে, এবার সেটাই দেখতে পাবেন ।”

সরস্বতী পুজোয় এই নাটাগড় এলাকায় বিজেপি কর্মী শুভাশীষ দাস ও তার বাবাকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা মারধর করে। নাটাগড়ে চা চক্রের শেষে সাংসদ অর্জুন সিং আক্রান্ত সেই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করেন ও কথা বলেন। আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

অন্যদিকে নির্বাচন ঘোষণার আগেও বঙ্গ রাজনীতিতে দলবদল অব্যাহত। রাজ্য রাজনীতিতে শীর্ষ নেতারা যখন একদল ছেড়ে অন্যদলে নাম লেখাচ্ছেন তখন জেলাস্তরের বহু নেতাও একই পথ অনুসরণ করেছেন। এবার বাগনানে দলবদল করলেন এক ‘দাপুটে’ নেতা। তবে এবার আর ‘ফুলবদল’ নয়, বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ ছেড়ে বিজেপির শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নে যোগ দিলেন বাগনানের ‘দাপুটে’ শ্রমিক নেতা অশোক চক্রবর্তী।

জানা গিয়েছে, হাওড়া জেলা সিআইটিইউর অন্যতম সদস্য ও বাগনান সিআইটিইউ অটো ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি অশোক চক্রবর্তী প্রায় শ’খানেক কর্মী-সমর্থক নিয়ে বৃহস্পতিবার পদ্মশিবিরে যোগ দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির সদর কার্যালয়ে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি তপন মন্ডল। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের নেতা সঞ্জয় ব্যানার্জী, বিশ্বজিৎ মাইতি সহ অন্যান্যরা। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অশোক চক্রবর্তী বলেন,”বাগনান সহ সারা বাংলায় তৃণমূল যেভাবে শ্রনিকদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে তা একমাত্র বিজেপিই প্রতিরোধ করতে পারে। আর তা প্রতিরোধের জন্য সিআইটিইউএর সংগঠন নেই। শ্রমিকদের স্বার্থে শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।