নয়াদিল্লি: করোনায় কবলিত গোটাদেশ। বাড়ছে হু-হু করে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। এই অবস্থায় মারণ করোনাকে স্টেজ টুতেই থামাতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় সরকার।

কিন্তু মারণ এই ভাইরাসকে আরও প্রভাব বিস্তার করতে সাহায্য করল খোদ দিল্লি। বলা ভালো গত মার্চ মাসে দিল্লির নিজামউদ্দিনে দরগার একটি ধর্মীয় সমাবেশ। যা করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কার বারুদে আগুন জ্বালতে সাহায্য করেছে।

সরকারি সূত্রে খবর, মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই নিজামউদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে উপস্থিত একাধিক লোকের দেহে করোনার প্রাথমিক লক্ষন দেখা গিয়েছে। তাদের মধ্যো চিহ্নিত প্রায় ৪০০ জনের দেহে করোনা পজিটিভ মিলেছে। এই অবস্থায় সেদিনের ওই সমাবেশে হাজির প্রায় ৯ হাজার ব্যক্তিকে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

তবে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার কেউই নিশ্চিত ভাবে সেদিনের জমায়েতের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি। ফলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন,গত মঙলবার সকাল থেকেই ওই এলাকা সম্পূর্ন ঘিরে ফেলা হয়েছে, এবং সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮০৪ জনকে নারেলা, সুলতানপুরী এবং বাক্কারওয়ালা কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ৩৩৪ জনকে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুতে নিজামউদ্দিন ফেরত ১৭৩ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে।,এছাড়াও আন্দামান থেকে ৯, রাজস্থান থেকে১১, দিল্লির ৪৭, জম্মু ও কাশ্মীরের ২২, তেলেঙ্গানা ৩৩, পদুচেরী ২, অন্ধ্রপ্রদেশ ৬৭ এবং অসমের ১৬ মোট জনের দেহে এই মারণ করোনার জীবাণু মিলেছে। শুধু তাই নয়, মার্চ মাসের ১২-১৫ তারিখ পর‍্যন্ত এই ধর্মীয় সমাবেশে সবথেকে বেশী লোক এসেছেন তেলেঙ্গানা থেকে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও