নয়াদিল্লি: একদিকে উন্নাও কাণ্ডে দোষীদের বিচার চেয়ে সরব সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে আবারও সামনে এল ধর্ষণের মত ঘটনা। ৪০ বছর বয়সী এক মহিলা জানিয়েছেন ৪ বছর বয়স থেকে তাঁকে তাঁর পরিবারের এক সদস্য নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। এছাড়া জোর করে গর্ভপাতও করিয়েছেন।

এই মুহূর্তে দেশে নারী নিরাপত্তা বিরাট বড় প্রশ্নের মুখে। যেভাবে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা সামনে এসেছে তাতে অবাক হয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে বিদ্বজ্জনেরা। ২০১৯ সালে দাঁড়িয়ে কেন নারীরা আজও নিরাপদ নয় তা নিয়ে সরব হয়েছেন বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের মানুষজনেও।

আর এই নির্যাতিতা মহিলার ঘটনা সামনে আসাতে আবারও সামনে এল দেশে নারীদের পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাক্রমে অভিযুক্ত ব্যাক্তি নির্যাতিতা তরুনীর বোনের স্বামী। অ্যাডিশানাল সেশন জাজ উমেদ গ্রেওয়াল ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

২০১৬ সালে ওই মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ওই মহিলা জানিয়েছিলেন, ১৯৮১ সাল থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যাক্তি লাগাতার ধর্ষণ করে যাচ্ছিলেন। ক্লাস ১০ এ পড়ার সময় তাকে শেষবার গর্ভপাত করানো হয়েছিল।

নির্যাতিতা ওই মহিলা জানিয়েছেন অভিযুক্ত ওই ব্যাক্তি যিনি সম্পর্কে তার মামা হন তাঁর সম্পর্কে বাড়িতেও বিস্তারিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি। শুধু তাই নয় তার সঙ্গে কাউকে না বলার জন্য তাঁকে বাড়ি থেকে জোর করা হয়েছিল। এই ঘটনা সামনে এনেছে বাড়ির পরিচিতদের দ্বারা ধর্ষণের চিত্র। এর ফলে নারী স্বাধীনতা ও সুরক্ষার বিষয়ে কতটা পিছিয়ে রয়েছে এই দেশ তা আবারও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।