কলকাতা: বিজেপিতে যোগ দিলেন ৪ জন তৃণমূল বিধায়ক। এর পাশাপাশি বিজেপিতে যোগ দিলেন সরলা মুর্মু। তিনি এ বছর হবিবপুরের তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন।

সোমবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সোনালি গুহ (সাতগাছিয়ার বিধায়ক), জটু লাহিড়ি (শিবপুরের বিধায়ক) ও দীপেন্দু বিশ্বাস (বসিরহাটের বিধায়ক)। সোমবার হেস্টিংসে বিজেপিতে দিলীপ ঘোষের হাত থেকে দলীয় পতাকা নিলেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায় সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন হেস্টিংস হাউজেই বিজেপিতে যোগ দেন অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী। বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল তিনি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা। এদিন সেই জল্পনার নিরসন হয়।

যদিও এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন তাঁদের কাউকে দল এ বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করবে কিনা তা জানা যায়নি। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে কেউই প্রার্থী হওয়ার জন্য দলে যোগ দেননি। সবাই বিজেপিতে এসে কাজ করতে চান। এছাড়া এদিন মালদহ জেলা পরিষদের ১৪ জন বিজেপিতে যোগ দিলেন। ফলে মালদহ জেলা পরিষদ কার্যত বিজেপির দখলে চলে গেল।

প্রসঙ্গত, সরলা মুর্মুকে হবিবপুরের প্রার্থী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরই তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছিল। এদিন সত্যিই বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। অন্য দিকে এ বছর প্রার্থী পদ না দেওয়ার অসন্তোষ দানা বাঁধছিল সোনালি গুহর মধ্যেই। কিছুদিন আগে একথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। এরপর তিনি যোগাযোগ করেছিলেন মুকুল রায়ের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন তিনি বিজেপি দলে কোনও পদ চান না বা তিনি প্রার্থী হতেও চান না। তিনি শুধু দলে থেকে কাজ করতে চান। এক সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন, কষ্ট পেয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এদিন সোনালি গুহ দিলীপ ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন।

এদিকে প্রার্থীপদ না পাওয়ার কারণে বিজেপির দ্বারস্থ হয় সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এদিন তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন। তিনি ক্রমাগত দশ বছর সিঙ্গুরের বিধায়ক ছিলেন। এ বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা যায় বেচারাম মান্নাকে সিঙ্গুর থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তারপরই দল বদলের সিদ্ধান্ত নেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।