প্রতীকি ছবি

শ্রীনগর: বৃহস্পতিবার থেকেই উত্তপ্ত কাশ্মীর৷ শুক্রবার সকালে এক পাকিস্তানি জওয়ানকে খতম করে ভারতীয় সেনা৷ এই নিয়ে মোট চার জন পাক জওয়ানকে নিকেশ করা গিয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর৷ পাক সেনার মৃত্যুর খবর স্বীকার করে নিয়েছে পাক প্রশাসন৷

বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় সীমান্ত সংলগ্ন একাধিক ঘাঁটিতে শেলিং শুরু করে পাকিস্তান সেনা। খোলা হাতে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। সীমান্ত সংলগ্ন একাধিক পাক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ভারতীয় সেনা প্রত্যাঘাত করে ভারী অস্ত্রে সাহায্যে চলে শেলিং।

জানা যায়, ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতে গুঁড়িয়ে গিয়েছে একাধিক পাক সেনা ঘাঁটি। তিন পাকিস্তান সেনাও এই প্রত্যাঘাতে খতম হয়েছে বলে ভারতীয় সেনার তরফে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সীমান্ত। উরি-রাজৌরি এবং কেজি সেক্টরে চলছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ব্যাপক শেলিং।

আরও পড়ুন : ভবিষ্যতে বদলাতে পারে ভারতের পরমাণু অস্ত্রের নীতি, ইঙ্গিত রাজনাথের

পাক সেনা মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর ভারতীয় সেনাকে দোষারোপ করে বলেছেন ভারতীয় সেনাই প্রথম অশান্তি শুরু করে৷ পাক সেনার দাবি ভারতীয় সেনা পাঁচজন পাক জওয়ানকে মেরেছে৷ পাক বাঙ্কারও ধংস্ব করা হয়েছে৷ তবে ভারতের পক্ষ থেকে এই দাবি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷

গত কয়েকদিন ধরে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তপ্ত ভারত এবং পাকিস্তান সীমান্ত। যে কোনও প্ররোচনা রুখে দিতে সেনাবাহিনীকে হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, একেবারে খোলা হাতে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার জন্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেই মতো পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে যোগ্য জবাব দিতে থাকে ভারত। দুপক্ষের গোলাগুলিতে উত্তপ্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত। যদিও ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলা গোলাগুলিতে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। তবে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলি থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : ‘ভারত থেকে হিন্দুত্ব বিলুপ্ত হবে’, হুমকি হিজবুল মুজাহিদিনের

অন্যদিকে, ১৫ অগস্টের ঠিক আগে কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের খবর আসে ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার রাতে উরি সেক্টরে একদল জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। পাক সেনার মদতে তাদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা চলছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। তবে পাকিস্তানের দিক থেকে যে কোনও ধরনের হামলার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি আছে ভারতীয় সেনা। সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। নৌবাহিনী এবং এয়ারফোর্সকেও হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।