ভোপাল: পাঁচ রাজ্যের ফলাফলে কার্যত মুখ পুড়েছে বিজেপির। কোনও রাজ্যের ফোটেনি পদ্ম। নেতা-নেত্রীরাও এবিষয়ে বিশেষ কথা বলছেন না। তবে, এবার শুরু হয়েছে সমীক্ষা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোথায় হারের কারণ ঠিক কি। আর সেটা দেখতেই গিয়েই দেখা যাচ্ছে নোটার চাপেই আসন হারিয়েছেন বিজেপির চার মন্ত্রী।

দেখা গিয়েছে অন্তত ২২টি কেন্দ্রে বিজয় প্রার্থী যে পরিমাণ ভোটের মার্জিনে জিতেছে, তার থেকে বেশি ভোট পড়েছে NOTA-তে। মধ্যপ্রদেশের ক্ষেত্রেই এই ঘটনা বেশি চোখে পড়েছে। এই NOTA-র জেরে ধাক্কা খেয়ে বিজেপির চার মন্ত্রী। ৫.৪ লক্ষ ভোটের ১.৪ শতাংশ কেটে নিয়েছে NOTA.

ভোট শেয়ারে বিজেপির হাতে ৪১ শতাংশ, কংগ্রেসের হাতে ৪০.৯ শতাংশ, বিএসপি-র ৫ শতাংশ, গোন্ডভানা গণতন্ত্র পার্টি পেয়েছে ১.৮ শতাংশ। এরপরেই রয়েছে NOTA, ১.৪ শতাংশ। এসপি ও আপের থেকে বেশি ভোট পড়েছে NOTA-তে।

২২টি আসনে NOTA জয়ের মার্জিনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। সাউথ গোয়ালিয়রে ১২১ ভোটে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। সেখানে NOTA-তে পড়েছে ১৫৫০ ভোট। হেরে গিয়েছে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ সিং কুশওয়াহা। দামো কেন্দ্রে ৭৯৯ ভোটে হেরে গিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মালাইয়া, সেখানে NOTA-তে ভোট পড়েছে ১২৯৯টি। নর্থ জব্বলপুরে ৫৭৮ ভোটে হেরেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী শরদ জৈন। NOTA-তে ভোট ১২০৯। বুরহানপুরে ৫১২০ ভোট হেরে গিয়েছেন শিশুকল্যান মন্ত্রী অর্চনা চিন্তিস। ওই কেন্দ্রে NOTA-তে ভোট ৫৭০০।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।