রায়পুর: বুধবার সকাল থেকে টানা গুলির লড়াইয়ে চার মাওবাদীকে নিকেশ করেছে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। এই ঘটনায় ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এদিন সকাল সাড়ে ৯ টা থেকেই জগরগুণ্ডা পুলিশের স্টেশনের আওতায় গুলির লড়াই শুরু হয়। অ্যান্টি-মাওবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে এদিন সকাল থেকে যৌথভাবে অপারেশন শুরু হয়, এমনটাই জানিয়েছেন বস্তার রেঞ্জের আইজি সুন্দর রাজ।

গোপনসূত্রে মাওবাদীদের অবস্থান নিয়ে খবর পেয়ে জগরগূণ্ডা, একাধিক যৌথবাহিনী, ডিসট্রিক্ট রিসার্ভ পুলিশ ফোরস এবং এলিট ইউনিট কম্যান্ডো ব্যাটেলিয়ন ফর রেসলিউট অ্যাকশন নতুন করে অপারেশন শুরু করা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুর থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে ফুলমপুর গ্রামে একটি পেট্রলিং দল এগিয়ে গেলে দুই দলের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়, এমনটাই জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

গুলির লড়াই থামার পরে উদ্ধার হয় চার মাওবাদীর দেহ। একটি .৩০৩ রাইফেলও উদ্ধার হয় ঘটনাস্থল থেকে। এছাড়াও আরও অনেক দেশি বন্দুক ও বিস্ফোরক মিলেছে সেখান থেকে। এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান।

প্রসঙ্গত, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় মঙ্গলবার অর্থাৎ ১২ অগাষ্টের সকাল থেকেই চলছে এনকাউন্টার।

গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনার চিনার কর্পসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে মঙ্গলবারের গুলির লড়াইয়ে এক সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তল্লাশি চলছে। একটি একে ৪৭ ও বেশ কয়েকটি গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে আরও বিস্ফোরক।

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন কেকেবিএনের সদস্যরা গাড়ি ভাঙচুর চালায় এবং ইভিএম মেশিন ধ্বংস করে দেয়। শেষ ছয়মাস থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওডিশায় মাওবাদীরা কিছুটা শক্তিক্ষয় করেছে। কোরাপুট এবং মালকানগিরি জেলায় ব্রিজ তৈরির পরে তা বেশ কিছুটা কমে গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা