লখনউ : ফের বিষ মদ পানের জেরে মৃত্যু মিছিল যোগী রাজ্য উওরপ্রদেশে। বিষ মদ পানের জেরে ফের যোগী রাজ্যে মৃত্যু হল ৪ জনের। যারা প্রত্যেকেই উওরপ্রদেশের চিত্রাকূটের বাসিন্দা।

জানা গিয়েছে, রবিবার বিষ মদের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন৷ গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এখনও হাসপাতালে ভরতি অনেকেই। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, অসুস্থ এবং মৃতেরা গত শনিবার দেশী মদ পান করেছিলেন। এরপরই তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে একজন পথেই মারা যান এবং বাকি তিনজন পরে হাসপাতালে প্রাণ হারান। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে চিত্রাকূটে।

আরো পোস্ট- ডিটক্স ডায়েট মানতে চান…মাথায় রাখুন এগুলো

এই বিষয়ে চিত্রাকূটের জেনারেল ইন্সপেক্টর অফ পুলিশ কে.সত্যনারায়ণ জানিয়েছেন, বিষ মদের এই ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায়। সেদিন সন্ধ্যায় উত্তরপ্রদেশের চিত্রাকূটের খোপা গ্রামের একজন বিষ মদ পান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষন বাদে মারা যান তিনি। অন্য আরেক জনকে চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মারা যান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। এরমধ্যে দুজন এলাহাবাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়াও বিষমদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভরতি গ্রাম প্রধানও৷

তবে এই বিষয়ে আই.জি সত্যনারায়ণ জানান, চিত্রাকূট গ্রামে কোনও মদের দোকান নেই। তবে সেখান থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি মদের দোকান রয়েছে। সেখান থেকেই এই মদ আনা হয়েছিল। যেগুলি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকেই৷ মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় দ্রুত কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাব ইন্সপেক্টর এবং একজন কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় রাজাপুর স্টেশন হাউস অফিসারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আবগারি দফতর জেলা আবগারি অফিসারসহ চার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে লখনউয়ের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি সঞ্জয় আর ভুস্রেডি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিষ মদ কান্ডে দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় চিত্রকূটের জেলা আবগারি অফিসার চত্বর সেন, আবগারি পরিদর্শক আশরাফ আলী সিদ্দিকী, আবগারি বিভাগের প্রধান কনস্টেবল সুশীল কুমার পান্ডে এবং আবগারি বিভাগের কনস্টেবল সন্দীপ কুমার মিশ্রকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসেও উত্তরপ্রদেশে এই ভেজাল মদ কান্ডে অন্তত ৪৪ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই সময় এই ঘটনায় ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন যোগী সরকার৷ তারপরেও ফের একই ঘটনায় মুখ পুড়ল যোগী সরকারের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.