নয়াদিল্লি: ভারতীয় সেনার গুলির জবাবে অন্তত ৪-৫ পাক সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ৪ লঞ্চপ্যাড। মৃত্যু হয়েছে বহু জঙ্গির।

যদিও পাকিস্তান এই খবর কিছুটা অস্বীকার করেছে। পাক সেনার মুখপাত্র আসিফ গফুর দাবি করেন, পাকিস্তানের এক সেনা জওয়ান ও তিন জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে দুই জওয়ান ও পাঁচ নাগরিক।

পাকিস্তানের দাবি, ভারতে ৯ সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু, আদতে আরতে দুই জওয়ান শহিদ হয়েছে। পাকিস্তান এমনটাও দাবি করছে যে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের দেহ সরিয়ে ফেলতে তৎপর হয়ে উঠেছে।

রবিবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম ভ্যালিতে জঙ্গিঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তাংধার সেক্টরের বিপরীতেও জঙ্গিঘাঁটিতে টার্গেট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

রবিবার সকালেই পাক সেনার গুলিতে শহিদ হয়েছেন দুই ভারতীয় জওয়ান। এক সাধারণ নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে। এরপরই ওই পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার খবর প্রকাশ্যে এসেছে।

জানা গিয়েছে পাক সেনা সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করায় কাশ্মীরের একটি বাড়ি, একটি রাইস মিল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে একট গোশালা, যার ভিতরে ১৯টি গবাদি পশু ছিল বলে জানা গিয়েছে।

মূলত চিত্রকূট গ্রামে সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই গ্রামের ছ’টি বাড়িল

ভারতীয় সেনার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে গুলি করে।

এদিন ভোর ৪ টে থেকে পাকিস্তানের তরপে ভারতীয় সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ শুরু হয়। সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের একবার পাকিস্তানি হানা চলে ভারতে। যার ফলে শহিদ হন ২ ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয় এক সাধারণ নাগরিকের। এরপর থেকেই ভারত পাল্টা জবাব দিতে থাকে।