ফাইল ছবি

ইম্ফল : কম মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ভারত মায়ানমার সীমানা৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.০৷ বৃহস্পতিবার মণিপুরে এই ভূকম্পের ঘটনা ঘটে৷  সকাল নটা নাগাদ আচমকাই কেঁপে ওঠে এলাকা৷ তবে ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির বিশেষ কোনও খবর মেলেনি৷ মণিপুরের উত্তর পূর্বে এই কম্পন অনুভূত হয়৷

গত ১৪ দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কেঁপে উঠল ভারতের উত্তর পূর্বের এই রাজ্য৷ গত ১১ জুন প্রথম কম্পনটি দেখা যায়৷ রিখটার স্কেলে সেদিন কম্পন মাত্রা ছিল ৫.১৷ এই কম্পন ছড়িয়ে পড়ে অসমেও৷
নগাঁও জেলার ধিং এলাকা থেকে ২২ কিমি দূরে এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল৷

২০১৭ সালে সাতবার ভূমিকম্প হয়েছে মণিপুরে৷ তার আগে বেশ কয়েক বছর ১৫-২০ বার ভূমিকম্প হয়েছে৷ ইতিমধ্যে এটিকে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেন, ছোট ছোট ভূমিকম্প শক্তি সঞ্চয় করে একসময় বড় আকারের হয়ে ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষমতা নিয়ে আবির্ভূত হতে পারে। ২০১৬ সালে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত করে মণিপুরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।