নয়াদিল্লি : দেশে যে কোনও মুহূর্তে আছড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এমনটাই আশঙ্কা কেন্দ্রের। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। এমন অবস্থায় তৃতীয় ঢেউয়ের কথাও জানাল কেন্দ্র। এর কোনও সময়ও জানাচ্ছে না বিশেষজ্ঞরা। যে কোনও সময়েই তা আছড়ে পড়তে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানী, কে বিজয়রাঘবন সরকারি বিবৃতি দিয়েছেন। সেই বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে ভাইরাস যে হারে ছড়াচ্ছে, তাতে স্পষ্ট সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ আসতে আর বেশি দেরি নেই। তবে কবে এবং কীভাবে সেই ঢেউ আছড়ে পড়বে তা এখনও আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়’।

কেন্দ্রীয় কমিটির মতে তৃতীয় ঢেউ অপ্রতিরোধ্য। অনেকে বলছেন, টিকায় বদল ঘটাতে হবে, তাকে আরও উন্নত করতে হতে পারে। তবে হয়তো করোনার নতুন প্রকারভেদকে সামলানো যেতে পারে।

বিজয়রাঘবনের কথায়, ‘ভাইরাসের যে নতুন প্রকারভেদ দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তাকে আটকাতে হলে টিকা আরও উন্নত করতে হবে।’ এটা করলেই কী একে রোখা যাবে? সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞেরা বিশেষ কিছু জানাননি। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নয় বলেও জানাচ্ছেন।

গত ২৪-ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৭৮০ জনের। মঙ্গলবার তা ছিল ৩ হাজার ৪৪৯। সোমবার দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪১৭। রবিবার একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৮৯। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও গত দুদিনের তুলনায় ফের বেড়েছে। বুধবারের কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশে আক্রান্ত হন ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৩১৫ জন। সোমবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন। রবিবার একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ১৪৭। শনিবার এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮।

ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ২৬ হাজার ১৮৮ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৬ লক্ষ ৬৫ হাজার ১৪৮। দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ২২৯। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৩৯ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যায় দেশে প্রথমে মহারাষ্ট্র। সেখানে একদিনে মৃত্যু হয় ৮৯১ জনের। উত্তরপ্রদেশে এক দিনে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫১।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.