কলকাতা:  একই দিনে পরপর তিনজনের শরীরে মিলল সক্রমণ। রবিবার এক চিকিৎসকের পর আরও দু’জনের শরীরে এই সংক্রমণ মিলল। তৃতীয়জন শেওড়াফুলির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।

রবিবারের সন্ধের রিপোর্টে আরও দু’জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ মিলেছে। এদিন সন্ধেয় নাইসেড থেকে যে রিপোর্ট এসেছে তাতে এই তথ্য জানা গিয়েছে।

নাইসেড সূত্রের খবর একজন, একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৪ বছরের এক ব্যক্তি। তিনি ও প্রবল শ্বাসকষ্ট এবং একাধিক উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন তার নমুনা পরীক্ষায় নোবেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে।

এদিকে, এই প্রথম রাজ্যে কোনও চিকিৎসক আক্রান্ত হলেন করোনায়। এই খবর অত্যন্ত উদ্বেগের। কারণ সম্প্রতি, তিনি যাঁদের চিকিৎসা করেছেন, তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে কোনও রোগীর থেকেই তাঁর শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। তাঁর রিপোর্টও এসেছে রবিবার সন্ধেয়।

আপাতত আলিপুর কমান্ড হাসপাতালেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। তাঁর সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তাঁর আত্মীয়দেরও সতর্ক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করা অন্যান্য চিকিৎসকদের, রোগীদেরও সতর্ক করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।