নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: চলছে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন৷ প্রথম দফায় দেশের ৯১ টি কেন্দ্র এবং দ্বিতীয় দফায় দেশের ৯৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহম পর্ব সম্পন্ন হয়েছে৷ গত ১১ এপ্রিল প্রথম দফাতে রাজ্যে কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে এবং ১৮ এপ্রিল দার্জিলিং, রায়গঞ্জ এবং জলপাইগুড়িতে ভোট হয়েছে৷ মোটের ওপর এই দুটি পর্ব শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন জানালেও, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসা ছবি শীতলকুচি থেকে চোপড়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি তুলে ধরেছে বারবার৷ এবার ভোটগ্রহণ পর্বকে আরও শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলতে শুক্রবারই রাজ্যে আরও আধান সেনা আসছে বলে জানা গিয়েছে৷

সূত্রের খবর, তৃতীয় দফার ভোট রয়েছে ২৩ এপ্রিল৷ তার আগে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটোসাঁটো করতে আসছে আরও ৫০ কোম্পানির আধাসেনা, জানিয়েছেন বিশেষ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক৷ মোট ৩২৪ কেম্পানির আধাসেনা রাজ্যে থাকবে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে প্রতি বুথে যে সেনা মোতায়েন সম্ভব নয় তাও একপ্রকার স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ নাগাল্যান্ড, মিজেরাম, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ থেকে আধাসেনারা আসছে বলে সংবাদ সূত্রে খবর৷

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ১৭তম লোকসভা ভোটের তৃতীয় দফা ভোটে অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি কেন্দ্রে ভোট৷ সেই দিন যে সব কেন্দ্রে ভোট হবে তা হল, মালদা উত্তর,মালদা দক্ষিণ,বালুরঘাট, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ৷ এই পাঁচ কেন্দ্রের জন্য রাজ্যে থাকবে ৩২৪ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছিল৷

এর আগে রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে ৫১ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল৷ প্রথম দফা ভোট শেষে বিরোধীরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান৷ তাদের অভিযোগ, ভোটের সময় যে সব কেন্দ্রে রাজ্য পুলিশ ছিল, সেখানেই শাসক দল বেশি দুর্নীতি করেছে৷ তাই বিরোধীরা সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দাবী করে৷ এরপরই দেখা যায় দ্বিতীয় দফার তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের ৮০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়৷ দ্বিতীয় দফার ভোটে ছিল ১৯৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

এছাড়া স্পর্শকাতর বুথে থাকবে সিসিটিভি, ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা এবং করা হবে ভিডিওগ্রাফি৷ নজর রাখবে মাইক্রো অবজারভার। ওয়েবকাস্টিং করার ব্যবস্থার মাধ্যমে কলকাতা ও দিল্লিতে বসে কমিশনের কর্তারা সেই বুথের পরিস্থিতি সরাসরি দেখতে পারবেন৷