নয়াদিল্লি : দেশ জুড়ে করোনার গ্রাফ ক্রমশ উর্দ্ধমুখী। ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্র, দিল্লিতে। নয়াদিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে একই সঙ্গে ৩৭ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। এঁদের মধ্যে ৩২ জনের সামান্য উপসর্গ থাকলেও, বাকি পাঁচ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করতে হয়েছে।

উল্লেখ্য যে ৩৭ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। গত ২৪ ঘন্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৩৭ জন। গত সাড়ে চার মাসে দৈনিক সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই রেকর্ড সর্বোচ্চ। ২০২০ সালের নভেম্বরে ৭৫৪৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিল।

মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ ৫৭ হাজার হতেই মানুষের মধ্যে একটা আশঙ্কা কাজ করছিল যে আবার দেশের করোনা সংক্রমণ এক লক্ষের গন্ডি পার করতে পারে। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করেই গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার জন। যা চলতি বছরের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ২৬৫ জন। এর ফলে দেশে মোট সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লক্ষ ৫ হাজার ২১ জন। করোনার মরণ কামড়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬৮৪ জন। এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছে ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯হাজার ২৫৮ জন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেকটাই কম।যা রীতিমতন কাঁপুনি ধরাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৯৩। গত ২৪ ঘন্টায় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৯৭ লক্ষ ৯ হাজার ২৯২ জনকে।

দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের জেরে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংক্রমণে লাগাম টানতে কী করণীয় তা নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উল্লেখ করেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, দেশে ৯ কোটিরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। ৪৫ বছরের বেশি বয়ষ্কদের টিকাকরণ আরও দ্রুত করতে হবে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে বৈঠকে ১১-১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘দেশজুড়ে ‘টিকা উৎসব’ এর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি করোনা নিয়ে সকলকে সচেতন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মাস্ক পরা ছাড়াও সকলকে যে করোনা বিধি অবশ্যই মানতে হবে, সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।