ভুবনেশ্বর: করোনার করাল গ্রাসে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। মন্দিরের ৩৫১ জন সেবায়েত নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু সেবায়েতরাই নন, করোনা থাবা বসিয়েছে মন্দিরের আরও ৫৩ জন কর্মীর শরীরেও। শতাধিক সেবায়েত ও কর্মীরা সংক্রমিত হয়ে পড়ায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা মন্দির জুড়ে।

পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে মোট ৪০৪ জন সেবায়েত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৫১ জনের শরীরেই থাবা বসিয়েছে করোনা। একইসঙ্গে মন্দিরের আরও ৫৩ জন কর্মীও করোনা আক্রান্ত।

একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক সেবায়েত ও কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই মন্দিরের দৈনন্দিন কাজকর্ম শিকেয় উঠেছে। প্রত্যেকেই ঘোর আতঙ্কে রয়েছেন। মন্দির কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। কীভাবে মন্দিরের দৈনন্দিন কাজ তালনো যাবে তা নিয়ে দফায়-দফায় চলছে আলোচনা।

পুরীর মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত কারও শরীরে উদ্বেগজনক উপসর্গ দেখা যায়নি। তবে প্রত্যেকেই কোভিড পজিটিভ হওয়ায় সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। আপাতত তাঁদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আক্রান্তচ সেবায়েত ও কর্মীদের স্বাস্থ্যের দিকে প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখা হচ্ছে।

শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হলেই যাতে দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা যায় সেব্যাপারে সবরকম প্রস্তুতি আগেভাগেই নিয়ে রেখেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পরে নিয়মিতভাবে সেবায়েত ও কর্মীদের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ।

রুটিন সেই পরীক্ষাতেই বিপুল সংখ্যক সেবায়েত ও কর্মীদের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। দেশের অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়িয়েছে ওডিশাতেও।

মঙ্গলবার সন্ধে পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ওডিশায় নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ১২ হাজার ৬০৯। এখনও অবধি পুরী জেলায় মোট ৯,৭০৫ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।