সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যু তদন্তে নয়া মোড়। এবার এনসিবির (NCB) স্ক্যনার এর আন্ডারে মোট ৩৩ টি নাম। বেশিরভাগ নামই বি-টাউনের (Bollywood) ব্যক্তিত্বদের। সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর পর থেকেই বলিউডের একাধিক ব্যক্তির নাম জড়িয়ে পড়ে মাদক কাণ্ডে।

শুক্রবার, NDPS আদালতে NCB-র তরফে ১২ হাজার পাতার চার্জশিট (Chargesheet) জমা করা হয়। এমনকী, চার্জশিটে ৩৩ জন অভিযুক্তের পাশাপাশি ২০০ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রয়েছে। এরই সঙ্গে,চার্জশিটের ১২ হাজার পাতার হার্ডকপির সঙ্গে এদিন ডিজিটাল ফরম্যাটে ৫০হাজার পাতা জমা করা হয়েছে। আগে মাদক মামলায় দীপিকা পাড়ুকোন, রাকুল প্রীত সিং, করিশ্মা প্রকাশ, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর সহ একাধিক তারকাকে মাদক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখ সুশান্তের বন্ধু তথা সহকারী পরিচালক ঋষিকেশ পাওয়ারকে গ্রেফতার করে NCB। ২০২০ সালের ১৪জুন, অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেন।মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে তাঁর ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যায়।জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন অভিনেতা। সেই থেকেই চরম সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত।মাত্র ৩৪ বছর বয়সী তরুণ তাজা প্রাণের এই পরিণতি দেখে বলিউডের অন্দরে চলা নেপটিজ্ম,পাওয়ার প্লে থেকে শুরু করে মাদক মামলা অব্দি চলে আসে প্রশাসনের স্ক্যনার এর তলায়।

কিন্তু এই সবের মধ্যে সব থেকে বেশি আলোচিত হয় সুশান্ত সিং রাজপুত এর সাথে রিয়া চক্রবর্তীর সম্পর্ক ও সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডের কথা। মামলা এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে তা এনসিবির ছত্রছায়ায় চলে আসে। দীপিকা পাডুকোন সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর, রিয়া চক্রবর্তী তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে জেরা করা শুরু হয়।তাঁদের মোবাইল,এ টি এম কার্ড পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।রিয়া চক্রবর্তী এবং তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে জেলের ঘানি পর্যন্ত টানতে হয়।

কিন্তু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্তের কোনো সুরাহা হয় নি। ‘জাস্টিজ ফর সুশান্ত’ বলে ক্যাম্পেইন পর্যন্ত করেছে সুশান্ত সিং রাজপুতের ভক্তকূল। মৃত্যুর তদন্তের কিনারা না হলেও বলিউডের একাধিক অন্ধকার দিক উঠে এসেছে তারপর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।