দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্রাক্টর ব়্যালি
দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্রাক্টর ব়্যালিতে এখনও পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নয়াদিল্লি: ২৬ জানুয়ারি কৃষকের র‍্যালির আগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পাকিস্তানের মাটিতে বসে কৃষকদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানাল দিল্লি পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দেশের রাজধানীর পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানের মাটিতে বসে ২৬ জানুয়ারি কুচকাওয়াজের র‍্যালিতে কৃষকদের দিয়ে বিশৃঙ্খলা করাতে উস্কানো হচ্ছে কৃষকদের।

এব্যাপারে কৃষক নেতাদের সঙ্গে কথাও বলে পুলিশ। পাক ‘ষড়যন্ত্র’-এর বিষয়ে কৃষক নেতাদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র-র বক্তব্য অনুযায়ী পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাটিতে বসে ভারতকে বিপাকে ফেলতে ও প্রজাতন্ত্র দিবসের র‍্যালিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের মাটি থেকে কম করে ৩০৮ টি টুইটার হ্যান্ডেল চালানো হচ্ছে। যাদের মূল লক্ষ্যই হল কৃষকদের নানাভাবে উস্কে দেওয়া ও ২৬ জানুয়ারির কুচকাওয়াজের র‍্যালিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

জানানো হয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে থাকা ওই অ্যাকাউন্টগুলি ১৩ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে খোলা হয়েছে। জানা গিয়ে এই উস্কানির বিষয়ে সতর্ক থাকতে কৃষকদের কাছে অনুরোধ করেছে দিল্লি পুলিশ।

এদিকে মহারাষ্ট্রের কৃষকরাও কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে সরব হয়েছেন। কৃষক প্রতিনিধিরা দিল্লির কাছে অবস্থানরত পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের লক্ষ লক্ষ কৃষকদের সঙ্গে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ, কেরলেও তীব্র প্রতিবাদ হচ্ছে।

সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লি ঘিরে রাখা কৃষকদের ট্রাকটর মার্চের সমর্থনে বিরাট লং মার্চ করেন মহারাষ্ট্রের কৃষকেরা। ১৮০ কিলোমিটার লং মার্চের চেহারা দেখে ফের আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে শোরগোল পড়েছে। আলোচনায় উঠে আসছে ২০১৮ সালের লং মার্চ প্রসঙ্গ। সারা ভারত কৃষক সভার মহারাষ্ট্র রাজ্য কমিটির আহ্বানে ২১টি জেলার কয়েক হাজার কৃষক মিছিলে অংশ নেন।

রবিবার জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা হিরাবেন মোদীকে চিঠি লিখেছেন এক কৃষক। তাঁর অনুরোধ করেছেন, মা হিসাবে যেন তিনি ছেলের ওপরে প্রভাব খাটান। তাহলে নরেন্দ্র মোদীর মন পরিবর্তিত হবে। তিনি কৃষকদের দাবি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবেন। চিঠিটি লিখেছেন পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার গোলু কা মধ গ্রামের বাসিন্দা হরপ্রীত সিং। হিন্দিতে চিঠি লেখা হয়েছে। হরপ্রীত লিখেছেন, অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে কৃষকরা দিল্লি সীমান্তে অবস্থান করছেন। বহু কৃষকই চান, বিতর্কিত আইনগুলি বাতিল করা হোক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।