নয়াদিল্লি: গোটা দেশে ২০০০০-৩০০০০ ভেন্টিলেটর অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে। এই গুলিতে হয় সার্ভিসিং করানো সম্ভব হয়নি অথবা স্পেয়ার পার্টস পাওয়া যায়নি তাই এমন দশা। সম্প্রতি এই প্রসঙ্গ উঠেছে‌‌‌ করোনা অতি মহামারী কোঅর্ডিনেট করার জন্য 11 সদস্যের এমপায়ার্ড গ্রুপ অফ অফিসারদের বৈঠকে।‌

২৯ মার্চ গঠিত হওয়া এই গ্রুপ ইতিমধ্য পাঁচটি বৈঠক করেছে।‌ শুক্রবারে দুটি আলাদা আলাদা বৈঠক হয়েছে ন্যাসকম এবং ফিকির প্রতিনিধিদের সঙ্গে।

বণিকসভা সিআইআই সূত্রের খবর ‌ এই ইস্যুটি আলোচনা হয়েছে হয়েছে সেই বৈঠকে যেটি পৌরহিত্য করছিলেন নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত। ওই বৈঠকে বণিকসভা প্রতিনিধিরাও ছিলেন। পাশাপাশি সেখানে আলোচনা হয় অত্যাবশ্যকীয় সেইসব পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট যা করোনা আটকাতে প্রয়োজন পড়ছে সেই সব সরবরাহের বিষয়েও।

বণিকসভা সি আই আই-এর ‌ প্রতিনিধিদের সামনে অকেজো ভেন্টিলেটরের প্রসঙ্গ ওঠায় এবার ওই বণিকসভা বিভিন্ন‌ ভেন্টিলেটর উৎপাদনকারী এবং সার্ভিসিং সংস্থার সঙ্গে‌ এই বিষয়ে যোগাযোগ করছে বলে জানা গিয়েছে। তাছাড়া সি আই আই-কে বলা হয়েছে প্রয়োজনীয় ক্রিটিক্যাল কম্পোনেন্টের একটা তালিকা বানাতে। এই বিষয়ে সি আই আই- এর কর্তা জানিয়েছেন, এখন ভেন্টিলেটর মূলত ছোট সংস্থা উৎপাদন করে থাকে। তারা উদ্যোগ নিচ্ছেন ওইসব ছোট সংস্থার সঙ্গে বড় উৎপাদনকারী সংস্থার যোগাযোগ করিয়ে দিতে‌ যাতে এর উৎপাদন বাড়ানো যায়।

অন্যদিকে পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্টের সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে শিল্পমহল কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর দাবি করেছেন। সেগুলির মধ্যে রয়েছে হাইটেক ন্যানো মেমব্রান্স ‌ এবং হট এয়ার সিম সিলিং মেশিন ইত্যাদি। তাছাড়া করোনা পরীক্ষার কিটস নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং হিসেব করে দেখা গিয়েছে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে ১৬ লক্ষ কিটস লাগবে। শিল্পমহলের প্রতিনিধিরা সরকারের নজরে আনার চেষ্টা করছেন এই কিটস আমদানির সমস্যার দিকটাও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও