নয়াদিল্লি: ভারতের একের পর এক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা আতঙ্ক। রাজস্থান, গুজরাত, পশ্চিমবঙ্গ লকডাউন জারি হয়েছে বহু জায়গায়। এরই মধ্যে ইরানের কায়দায় জেল থেকে বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

কিছুদিন আগে ইরানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পর ৭০ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল সে দেশের প্রশাসন। এবার ভারতীয় সেভাবেই বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

জানা গিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে তিন হাজার বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে তিহার জেল থেকে। এদের মধ্যে ১৫০০ জনকে প্যারোলে ছাড়া হবে ও বাকিদের অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া হবে। সোমবার তিহার জেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে একথা জানানো হয়েছে।

এদিকে দেশের অন্তত ৮০ টি শহরে জারি হয়েছে লকডাউন। সোমবার বিকেল থেকে লকডাউন জারি হয়েছে কলকাতাতেও। দেশজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪৫০। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

বিশ্বের মধ্যে মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলার সবরকম চেষ্টা করছে মহারাষ্ট্র সরকার। সেই রাজ্যের প্রায় ৯০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে রাজধানী দিল্লিতেও। রাজধানীতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ওলা উবের সহ সবধরনের ক্যাপ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লির সীমানা গুলিও সিল করে দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে রাজ্যে লক ডাউনের ঘোষণা হলেও অনেকেই তা মানছেন না। বরং এই পরিস্থিতিতে অনেককেই রাস্তায়, চায়ের দোকানে, পাড়ার মোড়ে আড্ডার মেজাজে দেখা যাচ্ছে মানুষজনকে। রীতিমত আয়েশ করে ছুটির শহরের সুযোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আড্ডার সেই ছবি পোস্ট করতেও দেখা যাচ্ছে।

লকটাউন বিষয়টাকে যাতে গুরুত্ব দেওয়া হয় সে বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।