নয়াদিল্লি: জম্মু কাশ্মীরে যেসব জওয়ানরা কর্মরত ছিলেন বা রয়েছেন, তাদের নাম ব্যবহার করে বন্দুকের লাইসেন্স বের করা হয়েছে৷ এমনই তথ্য পেয়েছে রাজস্থান অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড বা এটিএস৷

এটিএসের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন ইতিমধ্যে বেশিরভাগ নাম পাঠানো হয়েছে সেনার কাছে৷ যা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী আধিকারিকরা৷ কোন উদ্দ্যেশ্যে এই সব বন্দুকের লাইসেন্স বের করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে৷ বেআইনী ভাবে বন্দুক পাচারের উদ্দেশে এই সব লাইসেন্স বের করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের৷

জুবেইদা নামের গোপন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় এইসব লাইসেন্সের খোঁজ পায় রাজস্থান পুলিশের এটিএস৷ সেই ঘটনায় ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়৷ গত বছর নভেম্বর মাসে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়৷ জম্মু কাশ্মীরের বিভিন্ন জেলা থেকে এই সব নাম উদ্ধার হয় বলে খবর৷ কমপক্ষে ৩৩৬৭ জন সেনা আধিকারিকের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে৷

গোটা ঘটনায় গভীর চক্রান্ত রয়েছে বলে মনে করছে এটিএস৷ বিভিন্ন জেলার ডেপুটি কমিশনাররা এই সব লাইসেন্স ইস্যু করেছেন বলে জানা গিয়েছে৷ প্রায় দশ বছর ধরে ধীরে ধীরে এই সব লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে৷ তবে এই সব লাইসেন্সের সেই অর্থে কোনও রেকর্ড নেই৷

বিভিন্ন সেনা অফিসারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার উল্লেখ করা হয়েছে এই সব লাইসেন্স ইস্যু করার ক্ষেত্রে৷ শুধু ভারতীয় সেনাই নয়, রয়েছে বায়ুসেনা, আধাসামরিক বাহিনী, কোস্ট গার্ড, বিএসএফ, নৌসেনা সিআরপিএফের নামেও উঠেছে লাইসেন্স৷ রয়েছে এনসিসি, আরপিএফ, এনডিআরএফ-এর কর্মীদের নামও৷

গোটা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে এটিএস৷ কোন কোন চক্রান্তের ঘটনা এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত তা নিয়ে তদন্ত চলছে৷ এর মধ্যে ৩৭৫টি নাম যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত বলে জানাচ্ছে এটিএস৷