ইংল্যান্ড : বায়ু দূষণ যে কত মারাত্মক হতে পারে তার প্রমাণ আবারও হাতেনাতে। একটি পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে বহু মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন বাতাসের এই দূষণের জেরে। বয়স্কদের মধ্যে এই সমস্যা সবথেকে বেশি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে বিজ্ঞানীদের ওই পরীক্ষায়। অর্থাৎ শুধু শ্বাস প্রশ্বাস নয় মানুষের দেখাত ক্ষমতাও নষ্ট করতে সক্ষম বিষবায়ু। এই সমস্যার বৈজ্ঞানিক নাম ‘এইজ রিলেটেড, ম্যাকুলার ডিগন্যারেশন’। বিজ্ঞানীরা এই সমস্যা নিয়ে কাজও করতে শুরু করেছেন কে কীভাবে এই সমসয়ার দূরীকরণ করা যেতে পারে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের এই সমস্যা বেশি হচ্ছে। যেখানে বা যে দেশে মানুষের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা যত বেশি ভালো সেখানেই এই সমস্যা আরও বেশি। আগামী ২০ বছরে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ৩০০ মিলিয়ন মানুষ হারাতে পারেন দৃষ্টিশক্তি। ২০০৬ সাল থেকেই ইউয়ানিটেড কিংডমে এই সমসয়া নিয়ে কাজ শুরু হয়। সেইসময়ে ৪১ থেকে ৬৯ বছর বয়স্কদের মধ্যে বিষবায়ুর জেরে চোখের সমস্যা হচ্ছে কি না তা দেখা হয়। সেখানে দেখা যায় বেশিরভাগ মানুষেরই এমন কোনও সমস্যা নেই। সময় এগিয়েছে সমস্যা বেরেছে.২০২১ সালে এসে তা যে কত মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে তা স্পষ্ট। জানা যাচ্ছে বাতাসে পিএম ২.৫ এর পরিমান যত বাড়বে এই সমস্যা তত বড় আকার ধারন করবে।

এবার ভারতের ক্ষেত্রে সময়েই বায়ু দূষণের শীর্ষে থাকে দেশের রাজধানী দিল্লি। শীতে তা বড় আকার ধারন করে ধোঁয়াশার রূপ নিয়ে। গত কয়েক বছরে শীত এলেই ধোঁয়াশায় ঢাকতে দেখা গিয়েছে রাজধানী দিল্লিকে। এবারও সেই ছবির বিশেষ বদল নেই। সপ্তাহ দুয়েক আগে সকালে সিস্টেম ফর এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড ওয়েদার ফোরকাস্টিং অ্যান্ড রিসার্চের দেওয়া তথ্যে দিল্লির বাতাসের মান ‘অত্যন্ত খারাপ’ বলে জানানো হয়। অর্থাৎ দূষণের চাদরে ঢেকেছিল রাজধানী।

ওইদিন সকাল থেকে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়াশা দেখা যায়। ওইদিন সকালে দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স ছিল ৩০১। যাকে ‘অত্যন্ত খারাপ’ বলে বর্ণনা করছে সিস্টেম ফর এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড ওয়েদার ফোরকাস্টিং অ্যান্ড রিসার্চ। ফি বছর দিল্লি লাগোয়া হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকায় চাষের জমিতে ফসলের গোড়া পোড়ানো হয়। তার জেরেই দিল্লির বাতাসে ছড়ায় দূষণ। ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় রাজধানীর আকাশ। জমিতে ফসলের গোড়া পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। অনেক ক্ষেত্রেই সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে জমিতে ফসলের গোড়া পুড়িয়ে ফেলেন কৃষকদের একাংশ। ওইদিন ভোর থেকেই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়াশার দাপট দেখা যায়। ভোরের দিকে রাজধানীর রাস্তায় গাড়ির গতি শ্লথ ছিল। বেশ কয়েকটি রাস্তায় আলো জ্বেলে গাড়ি চলতে দেখা যায়। দিল্লি বিমানবন্দর চত্বরেও ধোঁয়াশার দাপট ছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।