গোরক্ষপুর: বাদুড় থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় বাদুড়ে শরীরে নানা ধরনের করোনা ভাইরাস বাসা বাঁধে। আর সেই বাদুড়ের মৃত্যুতে মহামারীর মধ্যেই নতুন আতঙ্ক তৈরি হল ভারতে।

যোগী আদিত্যনাথের খাস তালুক গোরক্ষপুরে এমন ঘটনা চোখে পড়েছে। গোরক্ষপুরের বেলঘাটে আমবাগানে মরে পড়ে আছে অন্তত ৩০০ বাদুড়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

বেলঘাট এলাকার এক বাসিন্দা পঙ্কজ শাহী জানিয়েছেন, তাঁর একটি বড় আমবাগান আছে। এদিন সকালে উঠে তিনি দেখেন বাগানের আমগাছের তলায় প্রচুর বাদুড় মরে পড়ে আছে। তাঁর প্রতিবেশিদের বাগানেও একইভাবে মৃত বাদুড় পাওয়া যায়।

খাজনি ফরেস্টের রেঞ্জার দেবেন্দ্র কুমার নিজে ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানিয়েছেন প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের মনেঅতিরিক্ত তাপ এবং জলের অভাবেই এই বাদুড়দের মৃত্যু হয়েছে। কারণ ওই এলাকার প্রায় সব পুকুর ও হ্রদ শুকিয়ে তিনি গ্রামবাসীদের বাড়ির বাগানে বা অন্যত্র বাদুড়দের খাওয়ার জন্য পাত্রে করে জল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে কিছু বাদুড়ের আকস্মিক মৃত্যু হচ্ছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রদেশের বেতুলের ভীমপুর ব্লকে কিছু বাদুড় অজানা রোগের কবলে পড়েছে। কয়েক ডজন বাদুড় মারা যাওয়ার কারণে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও পশু চিকিৎসকেরা প্রাথমিক ভাবে জানাচ্ছেন, তীব্র গরমের কারণে এমনটা হতে পারে।

জানা গিয়েছে, বেতুল জেলার বেহরা ধানা অঞ্চলে, ইউক্যালিপটাস গাছে ঝুলন্ত কয়েক ডজন বাদুড় মারা যাওয়ার পরে সেগুলি একে একে নীচে পড়ে গিয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকটি বাদুড় এখনও মৃত অবস্থায় গাছের উপর ঝুলছে।

পশু চিকিৎসকেরা প্রাথমিক ভাবে জানাচ্ছেন, তীব্র গরমের কারণে এমনটা হতে পারে। বলা হচ্ছে মৃত বাদুড়ের মরদেহ পুরোপুরি ডিহাইড্রেটেড ছিল। ব্যাপক গরম ও জলের অভাবের কারণে এই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নমুনা পরীক্ষার পরেই সঠিক তথ্য জানা যাবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ