শ্রীনগর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালিয়েছিল জম্মু কাশ্মীর পুলিশ৷ সাফল্য মিলল৷ জম্মুর রামবান এলাকা থেকে ৩০ কেজি হেরোইন উদ্ধার করলেন পুলিশ আধিকারিকরা৷ হোটেল চিনারের একটি ঘরে এই মাদক রাখা ছিল৷

তল্লাশি চালানোর সময়ে একটি বিশাল ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ৷ সেখান থেকেই হেরোইন উদ্ধার হয়৷ রামবানের এসএসপি অনিতা শর্মা জানান একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ তবে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি৷

বানিহাল রেলস্টেশনের কাছে কিছু সন্দেহজনক ব্যক্তির ঘোরাফেরার খবর পেয়ে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ৷ বানিহালের এসডিপিও সাজ্জাদ সারওয়ার নেতৃত্বে তল্লাশি চলে৷ শুরু হয় নাকা তল্লাশি, রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা জুড়ে৷ খতিয়ে দেখা হয় হোটেলের ঘর, পার্কিং এলাকা ও গাড়িগুলিকে৷

তখনই হোটেল চিনারের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় এই মাদক৷ সমস্ত লিংক রোডে ও জাতীয় সড়কে নাকাবন্দী করে তল্লাশি চালায় পুলিশ৷ তারপরেই চিনারের ঘর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ব্যাগ উদ্ধার হয়৷ ৩০টি প্যাকেট ছিল সেই ব্যাগে৷ প্রতিটি সমান ওজন ও আকৃতির৷

বানিহাল পুলিশ স্টেশনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷ নারকোটিক ড্রাগস অ্যাণ্ড সাইকোট্রপিক সাবস্টেন্স অ্যাক্ট, ১৯৮৫ আইনের ৮, ২১ ও ২২ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷

এর আগে জানা গিয়েছিল কাশ্মীর সহ ভারতের বিভিন্ন অংশে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে বানিজ্য থেকে অর্জিত অর্থই সম্বল করেছে জঙ্গিরা। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে উঠে আসে এমনই তথ্য। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তাঁরা জম্মু কাশ্মীর থেকে ৯ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে, যারা নিয়ন্ত্রণ সীমায় ব্যবসা ফেঁদে বসেছে।

এদিকে, সুত্র বলছে ওই সমস্ত বেনিয়ারা পাক মদতপুষ্ট। এমনকি, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন আইএসআই-এর নেপথ্য রয়েছে। তাদের সমর্থনেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। সূত্র আরও বলছে, কাশ্মীর সহ ভারতের বিভিন্ন অংশে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে বানিজ্য থেকে অর্জিত অর্থকে সম্বল করেছে জঙ্গিরা।

যে ৯ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে তারা হলেন, মেহেরাজুদ্দিন ভাট, নাজির আহমেদ ভাট, বারসাত আহমেদ ভাট, সউকত আহমেদ, নুর মহম্মদ, খুরসিদ, ইমতিয়াজ আহমেদ, আমীর এবং ইজাজ রহমানি। বৃহস্পতিবার ভারত সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ সীমা বরাবর সমস্ত বানিজ্য সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হবে। পাকিস্তান বলেছে, পাকিস্তান ভিত্তিক দুর্বৃত্তরা অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও জাল টাকা ভারতে ঢুকতে সাহায্য করছে।